কিভাবে ব্রেনওয়াশ করে জঙ্গি বানানো হয় দেখুন (ভিডিও সহ) !!

মোটিভেশন আর ব্রেনওয়াশিং দুটো আলাদা বিষয়….. মোটিভেশনের জন্য নিজের ইচ্ছে থাকতে হয়….এরপর সেই ইচ্ছাকে অনুপ্রাণিত করাই হল মোটিভেশন। কোন কিছু করতে আগ্রহী, কিন্তু করার সাহস বা শক্তি নেই এমন ব্যক্তিদের জন্য মোটিভেশন জিনিসটি ভাল কাজ করে।

কিন্তু ব্রেনওয়াশিং করা হয় নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে। অনাগ্রহী ব্যক্তিকেও আগ্রহী করে তোলা হল ব্রেনওয়াশিং এর মূল উদ্দেশ্য। ব্রেনওয়াশিং টার্মটি প্রথম আসে কোরিয়া যুদ্ধের পর। যুদ্ধের সময় আমেরিকান কিছু সৈন্যকে চীনারা বন্দি করে। যুদ্ধের পর তাদের ছেড়ে দিলে দেখা যায়, অনেক আমেরিকান সৈন্যেই চীনের কম্যুনিস্টপন্থী হয়ে গেছে। কারাগারেই তাদের ব্রেইনওয়াস করে চীনের কম্যুনিজম ঢুকে দেওয়া হয়েছে।

ব্রেনওয়াশিং করার আরো ‍কিছু স্টেপ আছে, তার মধ্যে একটি হল মানসিক ও শারীরিক টরচার……এটি করা হয় যাতে একজন মানুষ মানসিক ও শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পরে এবং যে ব্রেনওয়াশ করছে, তার উপর নির্ভরশীল হয়ে যায়।

মনের ভিতর কনফিউশন তৈরী করার জন্য কখনো কখনো একই কাজ করলে পুরস্কার দেওয়া হয়, আবার কখনো সেই কজেই শাস্তি দেওয়া হয়। ফলে তার মনে কনফিউশন তৈরী হয়ে যায় কোনটি সঠিক, কোনটি ভুল….. এতে সে সহজেই অন্যের নিয়ন্ত্রনাধীন হয়ে পরে।

ভালবাসা ও সাপোর্ট ব্রেনওয়াশিং এর আরেকটি পার্ট……এর ফলে যাকে ব্রেনওয়াশ করা হবে, পথমে তার বিশ্বাস অর্জন করা হয়, এরপর মনের ভেতর জায়গা করে নেওয়া হয়। টিম স্পিরিট তৈরী করার জন্য ও টিমের অন্যান্য মেম্বারদের মাঝে সস্পর্ক তৈরীর জন্য একটি ড্রেস কোড মেনে চলা হয়। ব্রেনওয়াশ চলাকালীন সময়ে সকলকে একই ধরনের ড্রেস পড়ানো হয়, যাতে স্বকীয়তা চলে গিয়ে দলীয় মনোভাব জেগে ওঠে।

ব্রেনওয়াশিং এর আরেকটি স্টেপের ভেতর পরে মনের ভেতর অপরাধবোধ জেগে তোলা…… সমাজে তার একরকম দায়িত্ব কিন্তু পালন করে আসছে আরেকরকম দায়িত্ব- এর ফলে এতদিন যে ভুল বা পাপ করেছে, সেই বিষয়ে তাকে অনুতপ্ত করে তোলা।

এর পরের স্টেপ হল ভয় দেখানো…. তার ভুল বা পাপের ফলে তার কি কর্মফল হতে পারে, সে বিষয়ে ভয় দেখানো হয়। ফলে সে তখন অপরাধবোধ থেকে মুক্তির জন্য সবকিছু করতে রাজি হয়….. এমনকি নিজের জীবন বিসর্জন দিতেও!

রেলপথে মৃত্যুর বড় কারণ কানে মুঠোফোন (ভিডিও)


নারায়ণগঞ্জ থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত রেলওয়ের একটি থানা এলাকায় চলতি বছরের ৯ মাসে ২৩০টি লাশ উদ্ধার হয়েছে। এদের মধ্যে ১০৬ জন মারা যায় মুঠোফোনে কথা বলতে বলতে রেলপথ পার হওয়ার সময়। সারা দেশে রেলওয়ের থানা ২৪টি। এ তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা রেলওয়ে থানার সদ্যবিদায়ী ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মজিদ।
রেলওয়ে পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মো. শামসুদ্দিনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত নয় মাসে সারা দেশে রেলপথ থেকে ৭২৯টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। অসতকর্তা, হত্যা ও আত্মহত্যার পাশাপাশি মুঠোফোনে কথা বলতে বলতে রেলপথ পার হওয়া এসব মৃত্যুর বড় কারণ। তবে ২৪ থানা এলাকায় শুধু মুঠোফোনের কারণে মোট মৃত্যু কত, তা জানা যায়নি।

বর্তমানে ভৈরব থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত ওসি আবদুল মজিদ বলেন, নারায়ণগঞ্জ থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত ১৪২ কিলোমিটার পথে গত সেপ্টেম্বরে এক মাসেই ট্রেন দুর্ঘটনায় ২৮ জন নিহত হয়েছে। এদের মধ্যে ২৫ জনেরই মৃত্যু হয়েছে মুঠোফোনে কথা বলতে বলতে রেলপথ পার হওয়ার সময়। আর নয় মাসে লাশ উদ্ধার হয়েছে ২৩০টি। এদের মধ্যে পাঁচজনকে হত্যার পর রেলপথে ফেলে যাওয়া হয়েছিল। অন্যদের মৃত্যু হয়েছে অসতর্কতা, আত্মহত্যাসহ বিভিন্ন কারণে।
গত ১৭ মে দুপুরে রাজধানীর পূর্ব নাখালপাড়া থেকে পশ্চিম নাখালপাড়ায় যাচ্ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির ছাত্র ওবায়দুল্লাহ। তাঁর কানে মুঠোফোন ও হাতে আইসক্রিম ছিল। ট্রেন কাছাকাছি চলে এলে আশপাশের লোকজন চিৎকার করে তাঁকে সরে যেতে বলে। কিন্তু তিনি কথায় এতটাই মগ্ন ছিলেন যে কিছুই শুনতে পাননি। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই তিনি ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যান। এ কথা বলছিলেন ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মোবারক হোসেন।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, কানে মুঠোফোন থাকায় অনেক সময় দ্রুতগতির ট্রেনের শব্দ শোনা যায় না। তাই মুহূর্তেই ট্রেনে কাটা পড়ে চিরতরে শেষ হয়ে যাচ্ছে অনেকে। রেলওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সচেতনতার অভাবে দিনে দিনে এ ঘটনা বাড়ছে। নাখালপাড়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত ওবায়দুল্লাহর বাবা ভ্যানচালক রফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘মাত্র তিন হাজার টাকা হাতে দিয়ে তাকে ঢাকায় পাঠিয়েছিলাম। ঘটনার আগের দিনও ফোনে আমার সঙ্গে কথা হয়। সেদিনও বলেছিলাম, ঢাকায় গাড়ির চাপ, সাবধানে থাকবা; রাস্তায় ফোনে কথা বলবা না। কিন্তু পরদিনই ফোনে কথা বলতে গিয়ে ট্রেনে কাটা পড়ল আমার ছেলে।’

গত ২৭ সেপ্টেম্বর কানে মুঠোফোন ধরে মালিবাগ রেলগেট পার হচ্ছিলেন আইনজীবী সালাহ উদ্দিন ফটিক (৫২)। কিন্তু তিনি রেললাইন পার হওয়ার আগেই চলে আসে ট্রেন। ট্রেনে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। ঢাকা রেলওয়ে থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) জাহিদুল ইসলাম বলেন, রেলগেটে থাকা রেলকর্মীরা প্রতিবন্ধক বারও নামিয়ে দিয়েছিলেন। তারপরও তিনি রেললাইন পার হতে যান। কানে মুঠোফোন থাকায় তিনি ট্রেনের শব্দ শুনতে পাননি।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর গণসংবর্ধনায় অংশ নিতে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থেকে ঢাকায় আসেন ছাত্রলীগের নেতা ইসমাইল হোসেন (২৮)। সন্ধ্যার দিকে তিনি খিলক্ষেত রেলক্রসিং এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যান। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, তিনি মুঠোফোনে কথা বলতে বলতে রেললাইন ধরে হাঁটার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মুঠোফোনে কথা বলতে গিয়ে এভাবে তাজা প্রাণ ঝরে যাওয়াকে দুঃখজনক বলছেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক জিল্লুর রহমান খান। তিনি বলেন, মানুষ পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে একসঙ্গে দুটি কাজ করতে পারে না। তাই ফোনে কথা বলার সময় তার অন্য কিছু খেয়াল থাকে না। আবার তরুণদের অনেকেরই মুঠোফোনে আসক্তি রয়েছে। তাঁদের মধ্যে মুঠোফোনের ব্যবহার অপব্যবহারের পর্যায়ে চলে গেছে।
ঢাকা রেলওয়ে থানার তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীতে ট্রেনে কাটা পড়ে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটে মহাখালী রেলগেট ও খিলক্ষেত এলাকায়। এর কারণ, কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় রেললাইন বাঁকা। তাই দূর থেকে ট্রেন এলে দেখা যায় না। আবার বনানী থেকে কারওয়ান বাজার এলাকার রেললাইনের পাশে গড়ে উঠেছে বস্তি। এসব এলাকায় অবৈধ ক্রসিং দুর্ঘটনার কারণ।


গত ২৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে মহাখালী রেলগেট এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, রেলপথ ধরে হাঁটছে কয়েক শ মানুষ। রেলগেটের নিরাপত্তা বার ফেলার পরও দৌড়ে পার হচ্ছে অনেকেই, কেউ কেউ মোটরসাইকেল চালিয়েও যাচ্ছেন এপাশ থেকে ওপাশে। রেলগেটের উত্তর পাশে এর তিন দিন আগেই মারা গেছেন এক যুবক। যুবকের রক্তে ভিজে যাওয়া রেলপথটি বালু দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী রাশেদ মোল্লা বলেন, নিহত যুবকের এক হাতে ল্যাপটপ ছিল, অন্য হাতে মুঠোফোন নিয়ে তিনি কথা বলছিলেন।
রাশেদ মোল্লার সঙ্গে কথা বলার সময় তাঁর পাশেই রেললাইনে বসে ছিলেন জুবায়েদ হোসেন নামে এক যুবক। ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের এই ছাত্র বলেন, এক বন্ধুর জন্য তিনি অপেক্ষা করছেন। এতে ঝুঁকি আছে, বিষয়টি তিনি ভেবে দেখেননি।
মহাখালী রেলগেটের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনোয়ার হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, প্রায়ই এই এলাকায় ট্রেনের নিচে পড়ে মানুষ মারা যায়। দুর্ঘটনার মূল কারণ মুঠোফোন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘কথা বলতে বলতে মানুষ পার হয়, ডাকলেও শোনে না। অনেক সময় নিষেধ করলে খারাপ ব্যবহার করে।’
নির্ধারিত রেলক্রসিং ছাড়া রেললাইন ধরে হাঁটা ও বসা নিষিদ্ধ উল্লেখ করে ঢাকা রেলওয়ে থানার ওসি ইয়াসিন ফারুক বলেন, রেললাইনের দুই পাশে ১০ ফুট করে ২০ ফুটের মধ্যে সব সময় ১৪৪ ধারা জারি থাকে। এই সীমানার ভেতর কোনো ব্যক্তিকে পাওয়া গেলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা যাবে।

জানতে চাইলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় দুর্ঘটনা গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ট্রেনের ইঞ্জিনের শব্দ কম, দ্রুতগতিতে চলে এবং অল্প দূরত্বে থামতে পারে না। এ জন্য দুর্ঘটনা ঘটে। আর মুঠোফোনে ব্যস্ত থাকলে এ দুর্ঘটনার আশঙ্কা আরও বেড়ে যায়। অধ্যাপক মোয়াজ্জেম ট্রেনে কাটা পড়ার জন্য বিনোদনমাধ্যমকেও দায়ী করেন। অনেক নাটক, সিনেমায় দেখা যায় রেললাইনে মানুষ হাঁটে, গান গায়, বসে থাকে। এমন শুটিং থেকে বিরত থাকতে হবে। রেললাইন শুটিংয়ের জায়গা নয়। আর শুটিং করলেও প্রচারের সময় পর্দায় সতর্কতামূলক বাণী লিখে দিতে হবে। এ ধরনের দুর্ঘটনা কমাতে তাঁর সুপারিশ, জনবহুল জায়গায় লোহার বেড়া দিতে হবে। সম্ভব না হলে রেললাইনজুড়ে সতর্কতামূলক বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে। দুর্ঘটনা প্রতিরোধে আইনের কঠোর প্রয়োগ ও ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান তিনি।

Force 2 (2016) full Movie Free Download

Force 2 (2016) full Movie Free Download


Force 2 (2016) full Movie Download

Language: Hindi
File Format: mkv
File Size: 750mb
Quality: DVDscr

Free Download



অবহেলিত গাইবান্ধা শহরের আদিকথা


ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার ভেতরে গাইবান্ধা শহর। নাম হয়েছে ‘পকেট শহর’। কোনো উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। জেলায় মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের চিনিকলটি (রংপুর চিনিকল) ছাড়া আর কোনো বড় শিল্পকারখানা নেই। সেটিও আবার প্রতিবছর লোকসান গোনে। আর আছে গোটা দুই হিমাগার ও কয়েকটি অটো চালকল।

গত কয়েক দিন শহরের শিল্পোদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী, রাজনীতিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নিজেদের শহর নিয়ে গভীর আক্ষেপ ও মনঃকষ্ট রয়েছে তাঁদের। জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি মিহির ঘোষ বলেন, বাইরে কোথাও থেকে ফিরে গাইবান্ধা শহরে ঢুকেই মনটা খারাপ হয়ে যায়। কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, গাইবান্ধা মহকুমা হয় ১৮৫৮ সালে। এর ১২৬ বছর পর জেলা হয়েছে ১৯৮৪ সালে। গাইবান্ধার সঙ্গে একই বছর আরও অনেক মহকুমা জেলা হয়েছে। অথচ অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো, নাগরিক সুযোগ-সুবিধা—সবদিক থেকে সেসব জেলা গাইবান্ধার থেকে অনেক এগিয়ে গেছে। গাইবান্ধার কোনো উন্নয়ন হয়নি। যেমন এখন প্রায় ৮০ শতাংশ জেলা শহরে আগের ১০০ শয্যার হাসপাতাল ২৫০ শয্যায় উন্নীত হয়েছে। গাইবান্ধার হাসপাতাল সেই ১০০ শয্যারই আছে। অনেক জেলায় মেডিকেল কলেজ হয়েছে; হয়েছে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, কৃষিসহ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়। গাইবান্ধায় এসব কিছুই হয়নি।
যোগাযোগব্যবস্থাই গাইবান্ধার এই পিছিয়ে থাকার প্রধান কারণ বলে মনে করেন জেলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি শাহজাদা আনোয়ারুল কাদির। তিনি বলেন, গাইবান্ধা কিন্তু একটা সময় খুব জমজমাট ব্যবসার এলাকা ছিল। নদী ছিল প্রধান যোগাযোগমাধ্যম। গত শতকের ষাটের দশকের শুরুতে ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক তৈরি হলে নদীপথের গুরুত্ব কমতে থাকে। গাইবান্ধা পড়ে গেল মহাসড়ক থেকে অনেক দূরে, প্রায় বিচ্ছিন্ন এক অবস্থানে। ওদিকে স্বাধীনতার পর থেকে ট্রেনের ব্যবস্থাও খারাপ হতে থাকে। অনেক ট্রেন বন্ধ হয়ে যায়। এ অবস্থা থেকে গাইবান্ধা আর বের হতে পারছে না।
গাইবান্ধা শহরের লেনদেন, বেচাকেনা যা কিছু সব নিজেদের লোকজনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। সালিমার মার্কেট দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাপ্পা সাহা বলেন, গাইবান্ধা ছোট শহর। মূলত ডিবি রোড ও স্টেশন রোডকেন্দ্রিক দোকানপাট নিয়েই এ শহরের ব্যবসা-বাণিজ্য। সাধারণত দেখা যায়, জেলা শহরেই বড় হোলসেলের দোকানগুলো থাকে। সেখান থেকে উপজেলার খুচরা বিক্রেতারা মালামাল কিনে নিয়ে যান। গাইবান্ধায় ঠিক এর উল্টো। মূলত গোবিন্দগঞ্জ ও পলাশবাড়ীতে গড়ে উঠেছে বড় ব্যবসাগুলো। সেখান থেকে গাইবান্ধা শহরের খুচরা বিক্রেতারা মালামাল নিয়ে আসছেন। বেসরকারি ব্যাংক, বড় বড় প্রতিষ্ঠানের বিক্রয়কেন্দ্র, হোলসেলের দোকান—সবই মহাসড়কসংলগ্ন ওই উপজেলাগুলোতে।
গাইবান্ধা কৃষিপণ্যনির্ভর। বিশেষত ধানের উদ্বৃত্ত জেলা। বছরে ১৫ থেকে ২০ লাখ টন ধান এখান থেকে বাইরে যায়। ইদানীং প্রচুর ভুট্টা ও কলার চাষ হচ্ছে। ডিবি রোডের নবারুণ বাণিজ্য সংস্থার মালিক দেওয়ান মশিউর রহমান বলছিলেন, জেলার অন্য উপজেলার তুলনায় ঢাকা থেকে গাইবান্ধায় এক ট্রাক মাল আনতে বা পাঠাতে অন্তত তিন থেকে চার হাজার টাকা বেশি খরচ হয়। ফলে এখানে দামও পড়ে বেশি।
গাইবান্ধায় ছোটখাটো কিছু শিল্প ও কুটিরশিল্প যা-ও আছে, সেখানে পুঁজির সংকট তীব্র। শিক্ষক বিরতি রঞ্জন সরকার বলছিলেন, শহরে ব্যাংক থেকে ঋণ পাওয়া ঝক্কির। এই সুযোগে সুদের কারবার খুব জমে উঠেছে। বিশেষ করে ব্যক্তিপর্যায়ে সুদের ব্যবসা খুবই জমজমাট। ফলে সুদের সহজ ব্যবসা বাদ দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে কেউ কলকারখানা বা অন্য কোনো বিনিয়োগে যান না।
তাহলে এ অবস্থা থেকে বের হয়ে আসার উপায় কী? সবাই এক কথায় বলেন, নতুন কয়েকটি সড়ক ও সেতুর কথা। ব্রহ্মপুত্র নদে বালাসি, বাহাদুরাবাদ সেতু নির্মাণ জেলাবাসীর প্রাণের দাবি। এ ছাড়া রংপুর থেকে পীরগাছা, গাইবান্ধা হয়ে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত একটি মহাসড়ক নির্মাণ করা দরকার। গাইবান্ধা থেকে সাদুল্লাপুর, বড় দরগা হয়ে রংপুর পর্যন্ত যে সরু সড়কটি আছে, সেটি প্রশস্ত করে আঞ্চলিক মহাসড়কে পরিণত করা। এর পাশাপাশি সিরাজগঞ্জ থেকে বগুড়া পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ করা হলে গাইবান্ধার সঙ্গে বিকল্প যোগাযোগব্যবস্থা তৈরি হবে। পকেট শহরের দুর্নাম ঘুচবে।
যোগাযোগব্যবস্থার পাশাপাশি সদর হাসপাতালটি ২৫০ শয্যায় উন্নীত করা, কৃষি ইনস্টিটিউটকে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় করা, পরিত্যক্ত ঘাঘট নদকে বিনোদনকেন্দ্রে পরিণত করা, আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসংবলিত একটি মিলনায়তন তৈরি করা জেলাবাসীর বহুদিনের দাবি। কিন্তু তা কবে হবে সেই প্রতীক্ষায় দিন গুনছেন গাইবান্ধাবাসী।

রাজশাহী কিংস'র কনসার্টে গান গাইলেন জুনায়েদ আহমেদ পলক (ভিডিও সহ)

নিজের ইউটিউব চ্যানেলে প্রখ্যাত গীতিকার, সুরকার বাপ্পী লাহিড়ীর গাওয়া “মঙ্গল দ্বীপ জ্বেলে” গানটি গেয়ে আপলোড করেছেন বর্তমান তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। শনিবার বেলা তিনটার সময় এককালের বিখ্যাত এই গানটি আপলোড করেন তিনি।

বরাবরের মতো এবারের গাওয়া গানটিতেও প্রকাশ পেয়েছে তাঁর সঙ্গীত প্রতিভার অনন্য নিদর্শন।
ইতোপুর্বে  বিটিভি ওয়ার্ল্ডের একটি লাইভ অনুষ্ঠানে ডিফ্রেন্ট টাচ ব্যান্ডের “শ্রাবণের মেঘ গুলো” গানটি গেয়ে দর্শকদের হৃদয় জয় করেছিলেন। গানটি ২০১১ সালের ১২ নভেম্বরে নিজে ব্যক্তিগত ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করেন।

১৯৮০ সালের ১৭ মে বাংলাদেশের নাটোর জেলার সিংডা উপজেলার সেরকোল তেলিগ্রাম এ জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার বাবার নাম ফয়েজ উদ্দিন এবং মায়ের নাম জামিলা আহমেদ। তিনি ১৯৯৫ সালে সিংড়া দমদমা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও ১৯৯৭ সালে রাজশাহী ওল্ড ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন। পরবর্তীতে ঢাকা কলেজ হতে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এম,এস,এস এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিনে এল,এল,বি শেষ করে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টে আইন পেশায় নিয়োজিত হন। তাঁর স্ত্রীর নাম আরিফা জেসমিন (কনিকা)। এ দম্পতির তিন সন্তান। তারা হলো অপূর্ণ জুনাইদ, অর্জুন জুনাইদ এবং অনির্বান জুনাইদ।

মিয়ানমারে মুসলিম নির্যাতনের আরো একটি নির্মম ভিডিও


অভিযানের নামে আরাকানের মুসলিমদের উপর মিয়ানমারে সরকারি তিনটি বাহিনী নির্মম নৃশংসতার খবর পাওয়া যাচ্ছে।
গত ৫ দিনে সংঘর্ষে মারা গেছে ৩৯ জন। বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে ৪০০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। জীবন বাঁচাতে ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাচ্ছেন রাখাইন রাজ্যের শত শত মুসলিম আরাকানি।
গত সপ্তাহের রোববার বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাটিতে পুলিশের ওপর হামলায় ঘটনার সূত্রপাত।
এরপর থেকে শুরু হয় পুলিশ, সেনাবাহিনী ও মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ত্রিমুখী হামলা। বুধবারও মারা গেছে ১০ গ্রামবাসী। সরকারি বাহিনী জ্বালিয়ে দিয়েছে কমপক্ষে ২৫ টি বাড়ি। জারি করা হয়েছে রাত্রিকালিন কারফিউ।
কিছুদিন আগে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে একটি উদ্যোগ নিয়েছিলো মিয়ানমারের নতুন সরকার। কিন্তু নতুন করে শুরু হওয়া এই সহিংসতা ওই ‍উদ্যোগকে বাধাগ্রস্ত করবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
জাতিসংঘের ভাষায়, রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের মানুষজন বিশ্বের সবচাইতে নির্যাতিত জনগোষ্ঠীর একটি। যারা পৃথিবীর কোনো দেশের নাগরিক নয়।
গত কয়েক শতাব্দী ধরে মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে রোহিঙ্গাদের বাস। দেশটি রোহিঙ্গাদের তার নাগরিক মনে করে না। বরং মিয়ানমার মনে করে তাদের আদি আবাস বাংলাদেশ। এমনকি রোহিঙ্গা শব্দটি ব্যবহারেও দেশটির সরকারের আপত্তি রয়েছে।
রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে বৌদ্ধদের হাতে নির্যাতনের শিকার বলে অভিযোগ রয়েছে।
বিভিন্ন সময়ে সহিংসতার মুখে পালিয়ে সীমান্ত পার হয়ে তাদের অনেকেই বাংলাদেশেও প্রবেশ করেছে।
বাংলাদেশে কক্সবাজার এলাকাতেই তাদের একটা বড় অংশ বাস করেন। এছাড়া চট্টগ্রাম, বান্দরবান, খাগড়াছড়িতেও কিছু রোহিঙ্গা বসবাস করছেন। সরকারের রেজিস্টার্ড ক্যাম্পগুলোতে ৩৩ হাজারের মতো রোহিঙ্গা বাস করে।
কিন্তু বলা হয় বাংলাদেশে তাদের মোট সংখ্যা পাঁচ লাখের মতো।

বিপিএলে প্রতি ম্যাচে মিলারের মূল্য কত লাখ টাকা জানেন?

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ বিপিএলে রংপুর রাইডার্সের হয়ে খেলবেন দক্ষিণ আফ্রিকার বিধ্বংসী ব্যাটসম্যান ডেভিড মিলার এবং অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অলরাউন্ডার শেন ওয়াটসন।
তবে এই দুই ক্রিকেটারের জন্য বিশাল অংকের টাকা ব্যয় করতে হবে রংপুরকে।

ঢাকা পর্বের শেষ ৬ ম্যাচে রংপুরের হয়ে খেলার কথা রয়েছে মিলার এবং ওয়াটসনের। প্রতি ম্যাচে মিলারকে ২৫ হাজার ডলার দিতে হবে। আর ওয়াটসনকে দিতে হবে মিলারের চেয়েও বেশি টাকা।
রংপুর রাইডার্সের চেয়ারম্যান ড. এরতেজা হাসান বিষয়টি জানিয়েছেন।
এরতেজা জানান, মিলারকে দিতে হবে ম্যাচ প্রতি প্রায় ২০ লাখ টাকা আর ওয়াটসনের জন্য আরও বেশি টাকা ব্যয় করতে হবে।
রংপুর রাইডার্স বর্তমানে পয়েন্ট তালিকায় দ্বিতীয়স্থানে রয়েছে। দলটিতে খেলছেন মোহাম্মদ শেহজাদ ও শহীদ আফ্রিদির মতো বিধ্বংসী ব্যাটসম্যানরা।
তবে দলের আইকন ক্রিকেটার সৌম্য সরকার একেবারেই ফর্মে নেই। দলটিতে বল হাতে আলো ছড়াচ্ছেন স্পিনার সোহাগ গাজী।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মুসলিম হিসেবে রোহিঙ্গা মুসলমানদের পাশে দাঁড়ান (ভিডিও সহ)


বার্মায় রোহিঙ্গা মুসলমানদের উপর চলছে ইতিহাসের সবচেয়ে নির্মম হত্যাকাণ্ড। বার্মায় চলছে মুসলিম গণহত্যার উৎসব। গত কয়েকদিনে ক্ষমতাসীন বৌদ্ধ সরকার আকাশে হেলিকপ্টার গানশীপ ও সমতলে সামরিক সাঁজোয়া যান ব্যবহার করে গন হারে রোহিঙ্গা মুসলিমদের হত্যা করছে l


বনে-জঙ্গলে, জমিতে, রাস্তায় মুসলমানদের লাশ পড়ে আছে l নাফ নদীর ওপারে ভাঁসছে শত শত অভাগা মুসলিম নারী, পুরুষ ও শিশুদের দেহ। এ শ্রেফ গণহত্যা l

রোহিঙ্গাদের একটাই অপরাধ এরা মুসলিম তাই এদের উপর চলছে ইতিহাসের সবচেয়ে নির্মম নির্যাতন। রামদা দিয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশ গরুর হাড়ের মতো কুপিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হচ্ছে। মাথা বিহীন লাশের মিছিল চলছে বার্মায়। শিশুদের খণ্ড বিখন্ড লাশ দেখে আঁতকে উঠবে যে কেউ।

গতকাল আতঙ্কিত রোহিঙ্গা মুসলমানরা বাংলাদেশ সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে গেলে বিজিবি প্রায় শতাধিক রোহিঙ্গাকে আটক করে l এবং শত শত রোহিঙ্গাকে সীমান্তের ওপারে তাড়িয়ে দেয়l অথচ এই বিজিবিই প্রতিদিন ভারতের সীমান্ত দিয়ে চোরাচালান কারবারিতে জড়িত।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একজন মুসলিম হিসেবে নির্যাতিত রোহিঙ্গা মুসলমানদের পাশে দাঁড়ান

বার্মায় রোহিঙ্গা মুসলমানদের উপর চলছে ইতিহাসের সবচেয়ে নির্মম হত্যাকাণ্ড। বার্মায় চলছে মুসলিম গণহত্যার উৎসব।

গত কয়েকদিনে ক্ষমতাসীন বৌদ্ধ সরকার আকাশে হেলিকপ্টার গানশীপ ও সমতলে সামরিক সাঁজোয়া যান ব্যবহার করে গন হারে রোহিঙ্গা মুসলিমদের হত্যা করছে ।

বনে-জঙ্গলে, জমিতে, রাস্তায় মুসলমানদের লাশ পড়ে আছে। নাফ নদীর ওপারে ভাঁসছে শত শত অভাগা মুসলিম নারী, পুরুষ ও শিশুদের দেহ। এ শ্রেফ গণহত্যা ।

রোহিঙ্গাদের একটাই অপরাধ এরা মুসলিম তাই এদের উপর চলছে ইতিহাসের সবচেয়ে নির্মম নির্যাতন। রামদা দিয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশ গরুর হাড়ের মতো কুপিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হচ্ছে। মাথা বিহীন লাশের মিছিল চলছে বার্মায়। শিশুদের খণ্ড বিখন্ড লাশ দেখে আঁতকে উঠবে যে কেউ।

গতকাল আতঙ্কিত রোহিঙ্গা মুসলমানরা বাংলাদেশ সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে গেলে বিজিবি প্রায় শতাধিক রোহিঙ্গাকে আটক করে l এবং শত শত রোহিঙ্গাকে সীমান্তের ওপারে তাড়িয়ে দেয় l অথচ এই বিজিবিই প্রতিদিন ভারতের সীমান্ত দিয়ে চোরাচালান কারবারিতে জড়িত।

বাংলাদেশ ভারত সীমান্তে বাংলাদেশীদেরকে দিনের পর দিন গুলি খেয়ে কাঁটাতারে ঝুলে থাকতে হয় আর এই বিজিবিই লাশ গ্রহনের টেন্ডার নিয়ে হাসিমুখে সেলফি তুলে লাশ নিয়ে ঘরে ফেরে ।

মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী, আপনি নিজেকে একজন খাটি মুসলিম দাবী করেন, প্রতিদিন মধ্যরাতে উঠে তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করেন, কুরআন শরীফ পড়ে সকাল শুরু করেন, মাঝে মাঝে ওমরাহ্‌ পালন করেন, কাবা শরীফের নিরাপত্তায় সৌদিতে সেনা পাঠান, পাকিস্তানের সাথে ভারতের যুদ্ধে সেনা পাঠান অথচ পার্শ্ববর্তী দেশ মিয়ানমারের নিরীহ ও নির্যাতিত মুসলমানদেরকে জীবন বাঁচাতে সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করতে দিলেন না ।

আপনি একজন ক্ষমতাধর প্রধানমন্ত্রী, আপনার ক্ষমতার ধার আমরা জানি, দয়া করে আরেকটা ক্ষমতা দেখান, বার্মার এই নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ান । বার্মার সরকারের সাথে আলোচনা করুন, বার্মার সাম্প্রদায়িক সরকারকে হুঁশিয়ারি দিন ।
বিশ্বদরবারে বার্মা কতৃক এই ঘৃণ্য গণহত্যার বিচার দাবী করুন l মুসলিম বিশ্বকে সজাগ করুন l বার্মার সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত খুলে দিন কিছু সময়ের জন্যে যাতে করে নির্যাতিত রোহিঙ্গারা তাদের জীবন টা বাঁচাতে পারে ।


মুসলিম বিশ্বের একজন ক্ষমতাধর নেত্রী ও নিজে মুসলিম হিসেবে আপনি এই কাজটি করতেই পারেন।

একজন সাধারন মুসলিম হিসেবে একজন ক্ষমতাধর মুসলিম নেত্রীর কাছে আমার আকুল আবেদন অন্তত এবারের মতো নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ান ।

বাংলাদেশীদেরকে দিনের পর দিন গুলি খেয়ে কাঁটাতারে ঝুলে থাকতে হয় আর এই বিজিবিই লাশ গ্রহনের টেন্ডার নিয়ে হাসিমুখে সেলফি তুলে লাশ নিয়ে ঘরে ফেরে ।

মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী, আপনি নিজেকে একজন খাটি মুসলিম দাবী করেন, প্রতিদিন মধ্যরাতে উঠে তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করেন, কুরআন শরীফ পড়ে সকাল শুরু করেন, মাঝে মাঝে ওমরাহ্‌ পালন করেন, কাবা শরীফের নিরাপত্তায় সৌদিতে সেনা পাঠান, পাকিস্তানের সাথে ভারতের যুদ্ধে সেনা পাঠান অথচ পার্শ্ববর্তী দেশ মিয়ানমারের নিরীহ ও নির্যাতিত মুসলমানদেরকে জীবন বাঁচাতে সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করতে দিলেন না ।

আপনি একজন ক্ষমতাধর প্রধানমন্ত্রী, আপনার ক্ষমতার ধার আমরা জানি, দয়া করে আরেকটা ক্ষমতা দেখান, বার্মার এই নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ান । বার্মার সরকারের সাথে আলোচনা করুন, বার্মার সাম্প্রদায়িক সরকারকে হুঁশিয়ারি দিন lবিশ্বদরবারে বার্মা কতৃক এই ঘৃণ্য গণহত্যার বিচার দাবী করুন l মুসলিম বিশ্বকে সজাগ করুন l বার্মার সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত খুলে দিন কিছু সময়ের জন্যে যাতে করে নির্যাতিত রোহিঙ্গারা তাদের জীবন টা বাঁচাতে পারে । মুসলিম বিশ্বের একজন ক্ষমতাধর নেত্রী ও নিজে মুসলিম হিসেবে আপনি এই কাজটি করতেই পারেন।

একজন সাধারন মুসলিম হিসেবে একজন ক্ষমতাধর মুসলিম নেত্রীর কাছে আমার আকুল আবেদন অন্তত এবারের মতো নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ান ।

চোরের কারখানা বাংলাদেশ বিমান বন্দর! তাই প্রবাসী ভাই সাবধান (ভিডিও)

চোরের কারখানা বাংলাদেশ বিমান বন্দর তাই প্রবাসী ভাই সাবধান।

ঝালকাঠিতে এবার হিন্দুরাই ভেঙ্গেছে হিন্দুদের মন্দির, আহত ১০ (ভিডিওসহ )

ঝালকাঠিতে মন্দিরে হামলার ঘটনা। বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে একদল ঝালকাঠি শহরের কালী মন্দিরে হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা প্রতিমা ভাংচুর করে। এ্ ভাংচুরের নেতৃত্বে ছিলো দুলাল দেবনাথ, গোপাল দেবনাথ ও সমীর দেবনাথ নামক চাল ব্যবসায়ী। জানা যায়, মন্দিরের বাইরে চালের দোকানের জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চালব্যবসায়ী ও মন্দির কর্তৃপক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিলো। এর জের ধরে গত বুধবার রাতে এই সংঘর্ষের ঘটনা। ঝালকাঠির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব বলেন, ‘রাতে মন্দিরে কার্তিক পূজা শেষে হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অন্তত ২০ জন লোক ইট নিক্ষেপ শুরু করে। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলে হামলাকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করেও ইট নিক্ষেপ করে। মন্দিরের লোকজন পুলিশের ওপরও হামলা চালায় বলে জানিয়েছে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার এমএম মাহমুদ হাসান। হামলা থামাতে গিয়ে সদর থানার উপ-পরিদর্শক শাহাদাত হোসেনসহ ১০ জন আহত হয়েছেন। এদিকে হিন্দু চালব্যবসায়ীরা দাবি করেছে, প্রতিমা ভাংচুরের প্রশ্নই আসে না, মন্দির কর্তৃপক্ষই প্রতিমা ভাংচুর করে তার দায় ব্যবসায়ীদের উপর চাপাচ্ছে। জানা গেছে, মন্দির কমিটির পক্ষে রয়েছে সাবেক পৌর কাউন্সিলর প্রনব কুমার নাথ ভানু। অপর দিকে বারচালা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আছেন পৌর কাউন্সিলর তরুণ কর্মকার।
খবরের সূত্র-

১) http://bit.ly/2gj3gr3
২)http://bit.ly/2f6L0z0
৩)http://bit.ly/2fYbYXu


টিস্যু দিয়ে তৈরি হচ্ছে দুধের স্বর – দেখুন ভিডিও সহ

আজকে এমন একটি বিষয় আপনাদের সামনে তুলে ধরবো যা শুনলে আপনারা আতকে উঠবেন। আপনাদের ভিডিও সহ দেখাবো কিভাবে টিস্যু দিয়ে দুধের স্বর বানানো হচ্ছে! কিছুদিন আগে যশোর শহরে ধর্মতলায় এলাকায় দুধের সাথে টিস্যু মেশানোর সময় হাতেনাতে ধরা খেয়ে গনধোলাই খেলেন মোকলেস। শুধু যশোর নয়, ঢাকাসহ বাংলাদেশের অনেক যায়গায় এমনটি হচ্ছে। নিচের ভিডিওটি দেখলে আপনারা এটা বুঝতে পারবেন।

প্রথমে টিস্যু ছোট ছোট করে কেটে সেগুলা দুধের সাথে মিশিয়ে নাড়াচাড়া করে জমাট বাধানো হয়। দুধে টিসুর উপস্থিতি কিভাবে বুঝবেন? প্রকৃত দুধের স্বর আর টিসু মেশানো দুধের স্বর দেখতে একই রকম হলেও স্বাদ ভিন্ন। একটু খেয়াল করলেই আপনি স্বাদের ভিন্নতা লক্ষ করতে পারবেন। দেখুন নিচের ভিডিওতে। কিভাবে দুধের সাথে টিস্যু মেশানো হচ্ছে, ভিডিও টি গোপনে ধারন করা পল্টন এলাকা থেকে।
দুধ চা খাচ্ছেন সাবধান। দুধের সাথে টিসু মিশিয়ে তৈরি করা হচ্ছে দুধের স্বর! সারা দেশ জুড়ে তোলপাড়। পড়ুন, সতর্ক থাকুন এবং শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন।

মাশরুম চাষ

‘‘মাশরুম’’ ব্যাঙের ছাতার মতো এক ধরণের ছত্রাক জাতীয় গাছ। মাশরুম ও ব্যাঙের ছাতা দেখতে একই রকম হলেও এদের মাঝে অনেক পার্থক্য আছে। প্রাকৃতিক পরিবেশে জন্ম নেওয়া কোন কোন মাশরুম বিষাক্ত হয় এবং সেগুলো খাওয়া যায় না। সূর্যের আলোয় প্রাকৃতিকভাবে খুব বেশি মাশরুম জন্মাতে পারে না তাই প্রাকৃতিক উপায়ে খাবারের জন্য বেশি করে মাশরুম পাওয়া যায় না। আমাদের দেশে অনেক স্থানে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মাশরুম চাষ করা হচ্ছে। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চাষকরা মাশরুম অত্যন্ত পুষ্টিকর খাবার। আমাদের দেশের অনেক জায়গায় বিশেষ করে ঢাকা, পার্বত্য চট্টগ্রাম, মধুপুর প্রভৃতি স্থানে এখন ব্যবসায়িক ভিত্তিতে মাশরুম চাষ ও বাজারজাত করা হচ্ছে। মাশরুম চাষ করে পারিবারিক পুষ্টির চাহিদা পূরণ করার পাশাপাশি বাড়তি আয় করাও সম্ভব। মাশরুম চাষ করতে আবাদী জমির প্রয়োজন হয় না।

মাশরুমের উপকারিতা  
মাশরুমে প্রচুর প্রোটিন, খনিজ পদার্থ ও ভিটামিন আছে। তাই খাদ্য হিসেবে এটা খুবই পুষ্টিকর। এর উপকারিতাসমূহ হল-
১. রক্তে চিনির সমতা রক্ষা করে ফলে ডায়াবেটিক রোগী এবং যারা স্থুল বা স্বাস্থ্যবান তাদের জন্য উপযুক্ত খাবার।
২. মাশরুম দেহের ক্ষয়পূরণ, হাড় গঠন ও দাঁত মজবুত করে।
৩. রক্তহীনতা, বেরিবোধ, হৃদরোগ, ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।
৪. শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
বাজার সম্ভাবনা 
আমাদের দেশের বড় বড় শহরগুলোর বিভিন্ন হোটেল ও চাইনিজ হোটেলগুলোতে মাশরুমের চাহিদা আছে। তাই আপাত দৃষ্টিতে মাশরুমের বাজার মূলত শহরে গড়ে উঠেছে। এছাড়া বিদেশে এর চাহিদা রয়েছে। মাশরুম শুকিয়ে বিদেশে রপ্তানি করা সম্ভব। এজন্য যেসব প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি বিদেশে সবজি ও কাঁচামাল পাঠায় তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে মাশরুম বিদেশে রপ্তানি করা সম্ভব।  
 খাবারের উপযোগী মাশরুম  
আমাদের দেশে সাধারণত খাবারের উপযোগী তিন জাতের মাশরুম চাষ হয় -
১. স্ট্র মাশরুম : ধানের খড়, শিমুল তুলা, ছোলার বেসন ও চাউলের কুড়া ইত্যাদি উপকরণ ব্যবহার করে স্ট্র মাশরুম চাষ করা হয়। আমাদের দেশে সাধারণত মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত এর চাষ করা যায়।
২. ইয়ার মাশরুম: সাধারণত বর্ষাকালে প্রাকৃতিকভাবে আম গাছে ইয়ার মাশরুম পাওয়া যায়। ইয়ার মাশরুম দেখতে কালচে রঙের। ইয়ার মাশরুম সারাবছর চাষ করা গেলেও সাধারণত বর্ষাকালে এর ফলন ভালো হয়।
৩. অয়েস্টার মাশরুম: আমাদের দেশে এই জাতের মাশরুম চাষ সবচেয়ে বেশি হচ্ছে। সারাবছরই এই মাশরুম চাষ করা যায় তবে শীত ও বর্ষাকালে এর ফলন ভালো হয়। অয়েস্টার মাশরুম খুব সহজে চাষ করা যায় এবং এর জন্য খুব অল্প জায়গার প্রয়োজন হয়। 
মাশরুম উৎপাদন কৌশল 
চাষের উপযোগী স্থান
মাশরুম খোলা জায়গায় চাষ করা যায় না। তাই এর জন্য আবাদী জমির প্রয়োজন হয় না। মাশরুম চাষ করার জন্য ছায়াযুক্ত জায়গায় ছন বা বাঁশের চালা দিয়ে ঘর তৈরি করতে হয়। মাটির দেওয়াল দিয়েও ঘর তৈরি করা যায়। আবার বাঁশের বেড়াও দেওয়া যায়। ঘরের ভেতর যাতে আলো ঢুকতে না পারে সেজন্য বাঁশের বেড়ায় মাটি লেপে দিতে হয়।  
অয়েস্টার মাশরুম চাষ পদ্ধতি 
অয়েস্টার মাশরুম বীজ বা স্পন ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপকরণ জোগাড় করে মাশরুম চাষ শুরু করা যাবে। ধাপে ধাপে মাশরুম চাষ করতে হয়।
* ১ম পদ্ধতি
১. মাশরুম চাষ কেন্দ্র থেকে মাশরুমের বীজ বা স্পন প্যাকেট সংগ্রহ করতে হবে। বীজ বা স্পনের দুই পাশে কিছুটা গোল করে কেটে চেঁছে নিতে হবে।
২. মাশরুমের প্যাকেট পানিতে ৩০ মিনিটের জন্য ডুবিয়ে রাখতে হবে। ৩০ মিনিট পরে পানি থেকে মাশরুমের প্যাকেট উঠিয়ে নিতে হবে।
৩. অতিরিক্ত পানি ঝরানোর জন্য মাশরুমের প্যাকেট ৫ থেকে ১০ মিনিট উপুড় করে রাখতে হবে। পানি ঝরে গেলে ঘরের নির্ধারিত জায়গায় রেখে দিতে হবে। প্রতিদিন এর উপর তিন থেকে চারবার করে পানি ছিটিয়ে দিতে হবে।
৪. সাধারণত ৩ থেকে ৪ দিন পর কাটা জায়গা থেকে অঙ্কুর গজায়। অঙ্কুর গজানোর পর মাঝে মাঝে পানি ছিটিয়ে দিতে হবে।
৫. খাওয়ার উপযোগী মাশরুম উৎপন্ন হতে ৫ বা ৬ দিন সময় লাগে। খাবার উপযোগী মাশরুম উৎপন্ন হলে তা গোড়া থেকে তুলে নিতে হবে।
৬. বীজের যে জায়গা কাটা হয়েছিল তা ব্লেড দিয়ে একটু চেঁছে দিতে হবে। এই বীজ থেকে আবার মাশরুম গজাবে।
৭. একটা আধা কেজি ওজনের বীজ বা স্পন প্যাকেট থেকে ৩-৪ বার মাশরুম পাওয়া যায়। এতে মোট ২০০ থেকে ২৫০ গ্রাম মাশরুম পাওয়া যাবে।
* ২য় পদ্ধতি
১. মাশরুম চাষ কেন্দ্র থেকে বীজ বা স্পন সংগ্রহ করতে হবে। এক কেজি ওজনের একটি বীজের পলিথিন খুলে ভিতরের কম্পোস্ট গুঁড়ো করে নিতে হবে।
২. দুই কেজি পরিমাণ ধানের পরিষ্কার ও শুকনো খড় সংগ্রহ করতে হবে। খড়গুলোকে এক ইঞ্চি মাপে কেটে টুকরা করতে হবে।
৩. পরিমাণ মতো পানি ফুটিয়ে নিতে হবে। খড়গুলো জীবাণুমুক্ত করার জন্য ফুটন্ত পানিতে খড়ের টুকরোগুলো এক ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে।
৪. খড়গুলো পানি থেকে তুলে চিপে পানি শূন্য করে একটি পাত্রে রাখতে হবে।
৫. পাঁচটি পলিব্যাগ নিয়ে পলিব্যাগের ভেতরে প্রথমে কিছু খড় বিছিয়ে নিতে হবে। খড়ের উপর মাশরুম বীজের গুঁড়ো দিতে হবে। এভাবে একটি পলিব্যাগে চার স্তরে খড় আর মাশরুম বীজের গুঁড়ো বিছিয়ে দিতে হবে। শেষ স্তরে আবার খড় বিছিয়ে দিতে হবে।
৬. খড় বিছানো শেষ হলে খুব শক্ত করে পলিব্যাগ বাঁধতে হবে। এভাবে প্রতিটি পলিব্যাগ বাঁধতে হবে।

৭. পলিব্যাগের চার দিকে ১০-১২টি ছিদ্র করতে হবে। এরপর ব্যাগগুলোকে বীজে পরিণত হওয়ার জন্য ১৫-১৮ দিন রেখে দিতে হবে।
৮. ১৫-১৮ দিন পরে পলিব্যাগগুলো খুলে বীজের দলাগুলো বের করে নিতে হবে।
৯. প্রতিটি বীজের দলা শিকায় করে ঝুলিয়ে রাখতে হবে এবং প্রতিদিন ৪-৫ বার করে পানি ছিটিয়ে দিতে হবে।
১০. ৩-৪ দিন পর চারদিক দিয়ে মাশরুমের অঙ্কুর গজাতে শুরু করবে। ৪-৬ দিন পর খাওয়ার উপযোগী মাশরুম গোড়া থেকে তুলে নিতে হবে।
১১. এভাবে মাশরুম চাষে লাভ বেশি হবে। কারণ প্রতিটি পলিব্যাগ থেকে প্রায় আধা কেজি মাশরুম পাওয়া যাবে। সুতরাং পাঁচটি ব্যাগ থেকে প্রায় আড়াই কেজি মাশরুম উৎপন্ন হবে।
সাবধানতা
১. বীজ বা স্পনে কোনভাবেই সূর্যের আলো পড়তে দেওয়া যাবে না। সবসময় ঘরটি ঠান্ডা রাখতে হবে। খুব বেশি গরম পড়লে ঘরের চারদিকে বস্তা ঝুলিয়ে ভিজিয়ে রাখতে হবে।
২. মাশরুম ঘর ও ঘরের বাইরের চারদিক সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। অপরিচ্ছন্ন জায়গায় মাশরুম ফ্লাই নামের পোকা মাশরুমের ক্ষতি করে।  
৩. কীটনাশক ব্যবহার করা যাবে না। 
প্রয়োজনীয় উপকরণ, পরিমাণ, মূল্য ও প্রাপ্তিস্থান  
* স্থায়ী উপকরণ
উপকরণ 
পরিমাণ 
আনুমানিক মূল্য (টাকা) 
প্রাপ্তিস্থান 
গামলা
১টা
৬০-৮০
থালা-বাটির দোকান
ছোট চা-চামচ
১টা
১০-১৫
থালা-বাটির দোকান
ব্লেড
১টা
২-৫
মুদি দোকান
ছুরি
১টা
২০-৩০
থালা-বাটির দোকান
পলিপ্রোপাইল ব্যাগ
১০টা
২০-৩০
মুদি দোকান
মোট খরচ=১১২-১৬০ টাকা
সুত্র : মাঠকর্ম, সাভার, ঢাকা, সেপ্টেম্বর, ২০০৯ 
* কাঁচামাল 
উপকরণ 
পরিমাণ 
আনুমানিক মূল্য (টাকা) 
প্রাপ্তিস্থান 
মাশরুম বীজ বা স্পন
২০০ টা বা ১০০ কেজি
২০০০
ঢাকা জেলার সাভার
যাতায়াত ও অন্যান্য খরচ

৫০০

মোট খরচ=২৫০০ টাকা
সুত্র : মাঠকর্ম, সাভার, ঢাকা, সেপ্টেম্বর, ২০০৯ 
মূলধন
মাশরুম চাষ করার জন্য ২৫০০ থেকে ৩০০০ টাকার প্রয়োজন হবে। যদি ব্যক্তিগত পূঁজি না থাকে তাহলে মূলধন সংগ্রহের জন্য নিকট আত্মীয়স্বজন, ঋণদানকারী ব্যাংক বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের (এনজিও) সাথে যোগাযোগ করা যেতে পারে। এসব সরকারি ও বেসরকারি ঋণদানকারী ব্যাংক বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান (এনজিও) শর্ত সাপেক্ষে ঋণ দিয়ে থাকে।
আয় ও লাভের হিসাব
অয়েস্টার মাশরুমের পাপড়ি বেশি ছড়ানোর আগেই তুলে গোড়া থেকে সামান্য কেটে ফেলতে হবে। পলি প্রোপাইলিনের প্যাকেটে কয়েকটা ছিদ্র করে এর মধ্যে মাশরুমগুলো ভার মুখ বন্ধ করে এই প্যাকেট বাজারজাত করতে হবে। প্রতিটি বীজ বা স্পন থেকে প্রায় ২০০ গ্রাম মাশরুম পাওয়া যায়। সুতরাং ২০০টি বীজ বা স্পন থেকে প্রায় ৪০ কেজি মাশরুম পাওয়া সম্ভব হবে। বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি মাশরুমের দাম প্রায় ১২০ টাকা। 
৪০ কেজির দাম
৪৮০০ টাকা।
কাঁচামাল ও অন্যান্য খরচ প্রায়
২৫০০ টাকা।
সুতরাং ৪০ কেজি মাশরুম বিক্রয় করে লাভ প্রায় ২৩০০ টাকা।
সুত্র : মাঠকর্ম, সাভার, ঢাকা, সেপ্টেম্বর, ২০০৯ 
প্রশিক্ষণ  
সরকারের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আওতায় ঢাকা জেলার সাভারে অবস্থিত ‘মাশরুম চাষ কেন্দ্র’ আছে। এছাড়া বাংলাদেশের নানা স্থানে ‘‘মাশরুম চাষ কেন্দ্রের’’ ১৬টি শাখা আছে। মাশরুম চাষ করে ব্যবসা করার জন্য এসব মাশরুম চাষ কেন্দ্র থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ নিয়ে নেওয়া যাবে। এছাড়া মাশরুম চাষ সম্পর্কে বাজারে অনেক বই পাওয়া যায়। এসব বই পড়ার মাধ্যমেও মাশরুম চাষ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে। এছাড়া অভিজ্ঞ কারও কাছ থেকে মাশরুম চাষের বিস্তারিত জেনে নিলে চাষ করতে সুবিধা হবে এবং উন্নতমানের মাশরুম পাওয়া সম্ভব হবে।
 মাশরুম মূল্যবান সবজি। বিদেশে এর যথেষ্ট চাহিদা আছে। মাশরুমের পুষ্টি ও ঔষধি গুণের কথা বলে সাধারণ মানুষকে মাশরুম খাওয়ার জন্য উদ্ধুদ্ধ করতে হবে। তাহলে সাধারণ বাজারেও এর চাহিদা বাড়বে। আমাদের দেশে এখনও যে খাদ্য ঘাটতি আছে, মাশরুম কিছুটা হলেও তা পূরণ করতে পারে।