Free Movie Download Wazir 2016 HD 720p

Free Movie Download Wazir 2016 HD 720p



Movie Info

Full Name: Wazir 2015 Free Movie Download HD 720
Size: 895 MB
Quality: HD 720p
Genres:  Crime, Drama, Mystery
Release Date:  8 January 2016 
Language: Hindi
Cast:  Farhan Akhtar, Aditi Rao Hydari, Amitabh Bachchan John Abraham
Wazir 2016 is an coming Hindi activity thriller film featuring Amitabh Bachchan, Aditi Rao Hydari, Farhan Akhtar, John Abraham, Neil Nitin Mukesh and coordinated by Bejoy Nambiar.

নবাব’-এর শুটিং এর ফাকে লাইভে শাকিব খান নতুন শুটিং ভিডিও

শাকিব খান ও শুভ্রশ্রী অভিনীত ‘নবাব’ ছবির শুটিং শুরু হয়েছে শুক্রবার। কক্সবাজারে ছবির শুটিং চলবে টানা আট দিন। শুটিংয়ে শাকিব খান ও শুভশ্রী ছাড়াও অন্য কলাকুশলীরা অংশ নিচ্ছেন। এরপর কলকাতা ও থাইল্যান্ডে ছবির শুটিং শেষ হবে।
ছবিটি পরিচালনা করছেন আবদুল আজিজ ও কলকাতার জয়দেব মুখার্জি। ছবির চিত্রনাট্য লিখছেন বাংলাদেশের আবদুল্লাহ জহির বাবু ও কলকাতার পেলে।

ছবিতে আরো দেখা যাবে মেঘলা, অমিত হাসান, শিবাশানু, রেবেকা এবং কলকাতার রজতাভ দত্তকে। শাকিব খান বলেন, দারুণ কিছু নিয়ে হাজির হতে যাচ্ছি। দর্শকরা নতুন এক শাকিবকেই দেখতে পাবেন। গল্প থেকে শুরু করে সবকিছুই ভালো লেগেছে। লুকেরও পরিবর্তন এনেছি।

ছাত্র – ছাত্রী স্কুল ফাঁকি দিয়ে পার্কে গিয়ে কি করে ? (দেখুন ভিডিও সহ)

ছাত্র – ছাত্রী স্কুল ফাঁকি দিয়ে পার্কে গিয়ে কি করে ? (দেখুন ভিডিও সহ)


দেখুন ভিডিও


ভেজাল ওষুধে সয়লাব দেশ ! মোড়ক নকল করে বাজারে ভেজাল ওষুধ (ভিডিও)


ভেজাল ওষুধে সয়লাব গোটা দেশ। কী শহর, কী প্রত্যন্ত গ্রাম সর্বত্রই রোগী আসল ওষুধের মূল্য দিয়ে নকল ওষুধ কিনে প্রতারিত হচ্ছেন। ফলে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি। সংসদীয় কমিটির তদন্তে জানা যায়, দেশের ১৯৩টি কোম্পানির মধ্যে ৫৯টিতেই উৎপাদন করা হচ্ছে ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধ। ভেজাল ওষুধ প্রস্তুতকারীরা বাজারের ভালো ব্র্যান্ডের ওষুধের মোড়ক, প্যাকেট ও বোতল নকল করে ওষুধ তৈরি করছে। আর এর মাধ্যমে বছরে প্রায় আড়াই শ কোটি টাকার নকল ওষুধ বিক্রি করা হচ্ছে। র‌্যাবের ম্যাজিস্ট্রেটরা জানান, ভেজাল ওষুধের মধ্যে আটা, ময়দা, চিনি, বেসন, নিম্নমানের ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রেড (ওষুধের কাঁচামাল) ও পানি মেশানো হচ্ছে। অন্যদিকে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর পর্যাপ্ত তদারকি ও নজরদারির অভাবে গ্রামগঞ্জ, মফস্বলের ফার্মেসিগুলো এখন ভেজাল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধে সয়লাব হয়ে যাচ্ছে। রাজধানীর সবচেয়ে বড় ওষুধের মার্কেট মিটফোর্ড থেকেই বেশির ভাগ ভেজাল ওষুধ দেশের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে পড়ছে বলে জানা গেছে।
কেন্দ্রীয় ওষুধ পরীক্ষাগারের তথ্য মতে, ২০১৩ সালের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সংস্থাটি প্রায় সাড়ে তিন হাজার ওষুধের নমুনা পরীক্ষা করে। এর মধ্যে ভেজাল ও নিুমানের ওষুধ পাওয়া গেছে ১২৫টি। ২০০৯ সাল থেকে সংসদীয় কমিটিসহ কয়েকটি তদন্ত কমিটির অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ৫৯টি প্রতিষ্ঠান ভেজাল ওষুধ তৈরিতে জড়িত। এর মধ্যে কিছু প্রতিষ্ঠানকে সংশোধনের সময় দেওয়া হলেও সংসদীয় কমিটি ২৯টি প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন বাতিলের সুপারিশ করে। তবে আইনি জটিলতার কারণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারছে না ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর। প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তাদের মতে, মামলা নিষ্পত্তিতে দীর্ঘ সময় লাগার কারণে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছেন না। অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, কম জনবল দিয়ে ভেজাল ওষুধের আগ্রাসন ঠেকানো সম্ভব নয়। বাংলাদেশ কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের ডেপুটি সেক্রেটারি মো. মনির হোসেন বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, মানুষ এখন বেশি টাকা দিয়ে মানহীন ওষুধ খাচ্ছে। রোগীরা মুনাফালোভী বেসরকারি ওষুধ কোম্পানিগুলোর হাতে জিম্মি।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কেরানীগঞ্জ, কামরাঙ্গীরচর, হাজারীবাগ, লালবাগ, যাত্রাবাড়ী, ডেমরা, জিঞ্জিরা, মুগদা, বনশ্রী, মিরপুর ও পুরান ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় ভেজাল ও নকল ওষুধ তৈরির কারখানার সন্ধান পাওয়া গেছে। এসব কারখানা থেকে আটক হওয়াদের কারাদণ্ড হলেও ছাড়া পেয়ে পুরনো ব্যবসায় ফিরে যান। ওষুধ মালিক সমিতির মতে, ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের গাফিলতির কারণে ভেজাল ওষুধ প্রস্তুতকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না। পাইকারি মূল্য কম হওয়ায় কিছু অসাধু খুচরা ব্যবসায়ী নিুমানের ওষুধ বিক্রি করছেন। তারা ডাক্তারের পরামর্শপত্রে যে ওষুধের নাম লেখা থাকে তা না দিয়ে রোগীকে একই ওষুধ বলে নিুমানের ওষুধ গছিয়ে দিচ্ছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওষুধ ও প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক আ ব ম ফারুক জানান, ভেজাল ও নকল ওষুধ মূলত বিক্রি করছে অনুমোদনহীন কিছু কোম্পানি। এর সঙ্গে যে ওষুধগুলোর বিক্রি বেশি অসাধু ব্যবসায়ীরা সে ওষুধের প্রয়োজনীয় ও নির্দিষ্ট কাঁচামালের পরিবর্তে নিুমানের পদার্থ মিশিয়ে আসল ওষুধের প্যাকেট বা নাম দিয়ে নকল ওষুধ তৈরি করছেন। এ ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীরা মুনাফালোভী চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগসাজশ করে এ ধরনের অপকর্ম করছেন। জানা যায়, ভেজাল ও নকল ওষুধের মধ্যে বাজারে ভালো চাহিদা রয়েছে এমন ধরনের বিভিন্ন প্রকার অ্যান্টিবায়োটিক, হরমোন ও অ্যালোপ্যাথিক ওষুধের পরিমাণ বেশি। এদিকে নকল ও ভেজাল ওষুধে বাজার সয়লাব হওয়ায় রোগীদের স্বাস্থ্যঝুঁকির পাশাপাশি আসল ওষুধের দামে নকল ওষুধ কিনে প্রতারিত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।
নকল ওষুধ : বিক্রি হওয়া ইনজেকশনের মধ্যে নকল হচ্ছে হাইড্রোকরটসিন, মিথাইল প্রডেনিসোল গ্রুপের ইনজেকশন। ময়দা দিয়ে নকল হচ্ছে যক্ষ্মায় ব্যবহৃত রিফিমপিসিন ট্যাবলেট। কিডনি ও ক্যানসার চিকিৎসায় ব্যবহৃত ইপরেক্স ইনজেকশনেরও ভেজাল তৈরি হচ্ছে। দেশে সোয়া দুই লাখের বেশি ওষুধের দোকান থাকলেও রেজিস্টার্ড ৬০ হাজার দোকানে বিক্রি হচ্ছে ভেজাল ও নকল ওষুধ। র‌্যাবের অভিযানে মিটফোর্ড বাবুবাজারে আইসিডিডিআরবির নকল রাইস স্যালাইন তৈরির কারখানার সন্ধান পাওয়া যায়। এখানে অসাধু চক্র ফার্মা গ্রেড কাঁচামালের পরিবর্তে ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রেড কাঁচামাল ব্যবহার করত। সাধারণত নিচুমানের ওষুধের মূল্য ভালো ব্র্যান্ডের ওষুধের মূল্যের প্রায় সমান কিন্তু বাজারে চালানোর জন্য পাইকারি মূল্য কম ধরা হয়। যেমন আসল গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ অমিপ্রাজলের মূল্য ৪০০ টাকার বেশি হলেও নকল অমিপ্রাজলের পাইকারি মূল্য ৭০ টাকার বেশি। ব্যথার ওষুধ ডাইক্লোফেনাক ১০০ টাকা হলেও নকল ওষুধের দাম ১৭ টাকা। এ ছাড়া নকল ওষুধের মধ্যে আরও তৈরি হচ্ছে হরমোলিড বায়োজেন, রেনিটিডিন, মাই গ্লোড, সাসটন নামের বিভিন্ন ওষুধ। এসব কারখানায় কোনো দক্ষ ক্যামিস্ট বা ফার্মাসিস্ট দ্বারা ওষুধ তৈরি হয় না। বাংলাদেশ কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতি সূত্র জানায়, ভেজাল ওষুধের মধ্যে আটা, ময়দা, চিনি, বেসন, পানি মিশিয়ে ট্যাবলেট ও ক্যাপসুল তৈরি হয়। বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, নকল বা ভেজাল ওষুধ সেবনে যেমন রোগের প্রতিকার হয় না, তেমনি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ারও আশঙ্কা থাকে।
ভেজাল ওষুধে সয়লাব গ্রামগঞ্জ : এদিকে ভেজাল, নকল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধে সয়লাব হয়ে গেছে গ্রামগঞ্জসহ মফস্বলের বাজার। এর মূল কারণ পর্যাপ্ত তদারকি ও নজরদারি নেই। ভেজাল ওষুধ তৈরিকারী সংঘবদ্ধ চক্র এ ভেজাল ওষুধগুলো ছড়িয়ে দিচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ অবস্থায় প্রয়োজন একটি যুগোপযোগী ওষুধনীতি। জানা যায়, সরকারি হাসপাতালগুলোয় বিনামূল্যের ওষুধ বিক্রি হচ্ছে খোলাবাজারে। ঢাকাসহ সারা দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোর কর্মচারীরা হাসপাতালের ওষুধ ফার্মেসিতে নিয়ে বিক্রি করে দিচ্ছেন এমন অভিযোগ বেশ পুরনো। অনেক সময় মফস্বলের ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ সরকারি ওষুধও বিক্রি হতে দেখা যায়। তবে আশঙ্কার বিষয়, বাংলাদেশে বিক্রি হওয়া ওষুধের পেটেন্ট (স্বত্ব) অন্য দেশের। ২০১৫ সালের মধ্যে এই পেটেন্টের মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে। আর সে সময় রোগীদের বিদেশি আমদানিকৃত ওষুধ বর্তমান বাজারমূল্য থেকে কয়েক গুণ বেশি দামে কিনতে হবে। এ অবস্থায় বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন, নকল ওষুধ তৈরির প্রবণতা আরও বাড়তে পারে। - ঝবব সড়ৎব ধঃ: যঃঃঢ়://িি.িনফ-ঢ়ৎধঃরফরহ.পড়স/ষধংঃ-ঢ়ধমব/২০১৪/০৫/২৪/৭৭২০#ংঃযধংয.ঔঐঐািঈৎঢ.ফঢ়ঁভভেজাল ওষুধে সয়লাব গোটা দেশ। কী শহর, কী প্রত্যন্ত গ্রাম সর্বত্রই রোগী আসল ওষুধের মূল্য দিয়ে নকল ওষুধ কিনে প্রতারিত হচ্ছেন। ফলে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি। সংসদীয় কমিটির তদন্তে জানা যায়, দেশের ১৯৩টি কোম্পানির মধ্যে ৫৯টিতেই উৎপাদন করা হচ্ছে ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধ। ভেজাল ওষুধ প্রস্তুতকারীরা বাজারের ভালো ব্র্যান্ডের ওষুধের মোড়ক, প্যাকেট ও বোতল নকল করে ওষুধ তৈরি করছে। আর এর মাধ্যমে বছরে প্রায় আড়াই শ কোটি টাকার নকল ওষুধ বিক্রি করা হচ্ছে। র‌্যাবের ম্যাজিস্ট্রেটরা জানান, ভেজাল ওষুধের মধ্যে আটা, ময়দা, চিনি, বেসন, নিম্নমানের ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রেড (ওষুধের কাঁচামাল) ও পানি মেশানো হচ্ছে। অন্যদিকে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর পর্যাপ্ত তদারকি ও নজরদারির অভাবে গ্রামগঞ্জ, মফস্বলের ফার্মেসিগুলো এখন ভেজাল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধে সয়লাব হয়ে যাচ্ছে। রাজধানীর সবচেয়ে বড় ওষুধের মার্কেট মিটফোর্ড থেকেই বেশির ভাগ ভেজাল ওষুধ দেশের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে পড়ছে বলে জানা গেছে।
কেন্দ্রীয় ওষুধ পরীক্ষাগারের তথ্য মতে, ২০১৩ সালের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সংস্থাটি প্রায় সাড়ে তিন হাজার ওষুধের নমুনা পরীক্ষা করে। এর মধ্যে ভেজাল ও নিুমানের ওষুধ পাওয়া গেছে ১২৫টি। ২০০৯ সাল থেকে সংসদীয় কমিটিসহ কয়েকটি তদন্ত কমিটির অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ৫৯টি প্রতিষ্ঠান ভেজাল ওষুধ তৈরিতে জড়িত। এর মধ্যে কিছু প্রতিষ্ঠানকে সংশোধনের সময় দেওয়া হলেও সংসদীয় কমিটি ২৯টি প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন বাতিলের সুপারিশ করে। তবে আইনি জটিলতার কারণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারছে না ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর। প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তাদের মতে, মামলা নিষ্পত্তিতে দীর্ঘ সময় লাগার কারণে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছেন না। অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, কম জনবল দিয়ে ভেজাল ওষুধের আগ্রাসন ঠেকানো সম্ভব নয়। বাংলাদেশ কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের ডেপুটি সেক্রেটারি মো. মনির হোসেন বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, মানুষ এখন বেশি টাকা দিয়ে মানহীন ওষুধ খাচ্ছে। রোগীরা মুনাফালোভী বেসরকারি ওষুধ কোম্পানিগুলোর হাতে জিম্মি।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কেরানীগঞ্জ, কামরাঙ্গীরচর, হাজারীবাগ, লালবাগ, যাত্রাবাড়ী, ডেমরা, জিঞ্জিরা, মুগদা, বনশ্রী, মিরপুর ও পুরান ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় ভেজাল ও নকল ওষুধ তৈরির কারখানার সন্ধান পাওয়া গেছে। এসব কারখানা থেকে আটক হওয়াদের কারাদণ্ড হলেও ছাড়া পেয়ে পুরনো ব্যবসায় ফিরে যান। ওষুধ মালিক সমিতির মতে, ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের গাফিলতির কারণে ভেজাল ওষুধ প্রস্তুতকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না। পাইকারি মূল্য কম হওয়ায় কিছু অসাধু খুচরা ব্যবসায়ী নিুমানের ওষুধ বিক্রি করছেন। তারা ডাক্তারের পরামর্শপত্রে যে ওষুধের নাম লেখা থাকে তা না দিয়ে রোগীকে একই ওষুধ বলে নিুমানের ওষুধ গছিয়ে দিচ্ছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওষুধ ও প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক আ ব ম ফারুক জানান, ভেজাল ও নকল ওষুধ মূলত বিক্রি করছে অনুমোদনহীন কিছু কোম্পানি। এর সঙ্গে যে ওষুধগুলোর বিক্রি বেশি অসাধু ব্যবসায়ীরা সে ওষুধের প্রয়োজনীয় ও নির্দিষ্ট কাঁচামালের পরিবর্তে নিুমানের পদার্থ মিশিয়ে আসল ওষুধের প্যাকেট বা নাম দিয়ে নকল ওষুধ তৈরি করছেন। এ ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীরা মুনাফালোভী চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগসাজশ করে এ ধরনের অপকর্ম করছেন। জানা যায়, ভেজাল ও নকল ওষুধের মধ্যে বাজারে ভালো চাহিদা রয়েছে এমন ধরনের বিভিন্ন প্রকার অ্যান্টিবায়োটিক, হরমোন ও অ্যালোপ্যাথিক ওষুধের পরিমাণ বেশি। এদিকে নকল ও ভেজাল ওষুধে বাজার সয়লাব হওয়ায় রোগীদের স্বাস্থ্যঝুঁকির পাশাপাশি আসল ওষুধের দামে নকল ওষুধ কিনে প্রতারিত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।
নকল ওষুধ : বিক্রি হওয়া ইনজেকশনের মধ্যে নকল হচ্ছে হাইড্রোকরটসিন, মিথাইল প্রডেনিসোল গ্রুপের ইনজেকশন। ময়দা দিয়ে নকল হচ্ছে যক্ষ্মায় ব্যবহৃত রিফিমপিসিন ট্যাবলেট। কিডনি ও ক্যানসার চিকিৎসায় ব্যবহৃত ইপরেক্স ইনজেকশনেরও ভেজাল তৈরি হচ্ছে। দেশে সোয়া দুই লাখের বেশি ওষুধের দোকান থাকলেও রেজিস্টার্ড ৬০ হাজার দোকানে বিক্রি হচ্ছে ভেজাল ও নকল ওষুধ। র‌্যাবের অভিযানে মিটফোর্ড বাবুবাজারে আইসিডিডিআরবির নকল রাইস স্যালাইন তৈরির কারখানার সন্ধান পাওয়া যায়। এখানে অসাধু চক্র ফার্মা গ্রেড কাঁচামালের পরিবর্তে ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রেড কাঁচামাল ব্যবহার করত। সাধারণত নিচুমানের ওষুধের মূল্য ভালো ব্র্যান্ডের ওষুধের মূল্যের প্রায় সমান কিন্তু বাজারে চালানোর জন্য পাইকারি মূল্য কম ধরা হয়। যেমন আসল গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ অমিপ্রাজলের মূল্য ৪০০ টাকার বেশি হলেও নকল অমিপ্রাজলের পাইকারি মূল্য ৭০ টাকার বেশি। ব্যথার ওষুধ ডাইক্লোফেনাক ১০০ টাকা হলেও নকল ওষুধের দাম ১৭ টাকা। এ ছাড়া নকল ওষুধের মধ্যে আরও তৈরি হচ্ছে হরমোলিড বায়োজেন, রেনিটিডিন, মাই গ্লোড, সাসটন নামের বিভিন্ন ওষুধ। এসব কারখানায় কোনো দক্ষ ক্যামিস্ট বা ফার্মাসিস্ট দ্বারা ওষুধ তৈরি হয় না। বাংলাদেশ কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতি সূত্র জানায়, ভেজাল ওষুধের মধ্যে আটা, ময়দা, চিনি, বেসন, পানি মিশিয়ে ট্যাবলেট ও ক্যাপসুল তৈরি হয়। বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, নকল বা ভেজাল ওষুধ সেবনে যেমন রোগের প্রতিকার হয় না, তেমনি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ারও আশঙ্কা থাকে।
ভেজাল ওষুধে সয়লাব গ্রামগঞ্জ : এদিকে ভেজাল, নকল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধে সয়লাব হয়ে গেছে গ্রামগঞ্জসহ মফস্বলের বাজার। এর মূল কারণ পর্যাপ্ত তদারকি ও নজরদারি নেই। ভেজাল ওষুধ তৈরিকারী সংঘবদ্ধ চক্র এ ভেজাল ওষুধগুলো ছড়িয়ে দিচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ অবস্থায় প্রয়োজন একটি যুগোপযোগী ওষুধনীতি। জানা যায়, সরকারি হাসপাতালগুলোয় বিনামূল্যের ওষুধ বিক্রি হচ্ছে খোলাবাজারে। ঢাকাসহ সারা দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোর কর্মচারীরা হাসপাতালের ওষুধ ফার্মেসিতে নিয়ে বিক্রি করে দিচ্ছেন এমন অভিযোগ বেশ পুরনো। অনেক সময় মফস্বলের ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ সরকারি ওষুধও বিক্রি হতে দেখা যায়। তবে আশঙ্কার বিষয়, বাংলাদেশে বিক্রি হওয়া ওষুধের পেটেন্ট (স্বত্ব) অন্য দেশের। ২০১৫ সালের মধ্যে এই পেটেন্টের মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে। আর সে সময় রোগীদের বিদেশি আমদানিকৃত ওষুধ বর্তমান বাজারমূল্য থেকে কয়েক গুণ বেশি দামে কিনতে হবে। এ অবস্থায় বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন, নকল ওষুধ তৈরির প্রবণতা আরও বাড়তে পারে।

বিদেশ যেতে মেডিকেল চেকআপের নামে নানা অনিয়ম ও হয়রানি ।


‘সিলেট থেকে নাইট কোচে এসে ভোর ৬টায় লাইনে দাঁড়াইছি। এখন বেলা আড়াইটা বাজে। সারাদিন পানি আর বিস্কুট ছাড়া কিছু খাই নাই। মাথা ঘুরাইতেছে, এভাবে লাইনে দাঁড়াইয়া থাকলে মারা যাব।’ মঙ্গলবার দুপুরে গুলশানে জিসিসি অ্যাপ্র“ভড মেডিকেল সেন্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (গামকা) অফিসের সামনে লাইনে দাঁড়িয়ে কথাগুলো বলেন সৌদি আরব যেতে ইচ্ছুক শ্রমিক ইসরাফিল হোসেন। তখনও লাইনে দাঁড়িয়ে আছে তার মতোই ৫ হাজারের বেশি নারী-পুরুষ শ্রমিক। সবাই এসেছেন মেডিকেল চেকআপ স্লিপের জন্য। তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল অবর্ণনীয় দুর্ভোগ আর নজিরবিহীন ভোগান্তির কথা।

বৈদেশিক কর্মসংস্থান সংশ্লিষ্ট শ্রমিক, রিক্রুটিং এজেন্সি, মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মূলত গামকা সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে মধ্যপ্রাচ্যে যেতে ইচ্ছুক লাখ লাখ শ্রমিক। সিন্ডিকেটটি মেডিকেল চেকআপের নামে একচেটিয়া মনোপলি ব্যবসা করছে। ইচ্ছেমতো ফি আদায় করছে। দিনের পর দিন দাঁড়িয়ে থাকতে হয় শুধু একটি স্লিপের জন্য। আর এ সময় প্রতারণার শিকার হতে হয় দালাল ও মধ্যস্বত্বভোগীদের হাতে।
গামকায় হয়রানির বিষয়ে জানতে চাইলে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি মঙ্গলবার যুগান্তরকে বলেন, আমাদের কাছে এ বিষয়ে কেউ অভিযোগ করেনি। ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে অভিযোগ পেলে গামকার কার্যালয় বিকেন্দ্রীকরণসহ তাদের হয়রানি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
জিসিসিভুক্ত (গালফ কো-অপারেটিভ কাউন্সিল) দেশ সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, ওমান, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাত যেতে হলে শ্রমিকদের গামকা অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান থেকে মেডিকেল চেকআপ করাতে হয়। এন্ট্রি স্লিপের জন্য গামকায় দিতে হয় ৩০০ টাকা। রক্তের এইচআইভি, মূত্র পরীক্ষাসহ কয়েকটি পরীক্ষা ও বুকের একটি এক্সরের জন্য জনপ্রতি মেডিকেল সেন্টারে জমা দিতে হয় ৫ হাজার টাকা। অথচ এসব চেকআপ দেড় থেকে দুই হাজার টাকায় অন্যত্র করানো সম্ভব।

চেকআপ করানোর আগে গামকার গুলশান-২ এর ৯৪ নম্বর সড়কের বাড়ি নং-৪/এ কার্যালয়ে গিয়ে পাসপোর্ট ও ভিসার তথ্য সার্ভারে এন্ট্রি করানোর পাশাপাশি ছবি তুলতে হয়। সেখান থেকে প্রিন্ট নিয়ে গামকার সদস্যভুক্ত ২৬টি মেডিকেল সেন্টারের কোনো একটিতে মেডিকেল চেকআপ করতে হয়। সিলেট ও চট্টগ্রামে আরও দুটি এন্ট্রি পয়েন্ট থাকলেও সবাই ছোটেন গুলশানে।
ছবি তোলা ও সার্ভারে তথ্য এন্ট্রির জন্য প্রতিদিন কাকডাকা ভোর থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত হাজার হাজার বিদেশ যেতে ইচ্ছুক নারী-পুরুষ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকেন। গত কয়েকদিন গুলশানে গামকার কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু করে পুরো সড়ক ঘুরে কানাডিয়ান হাইকমিশন পর্যন্ত লম্বা লাইন দেখা গেছে। সোমবার দুপুরে অঝোর বৃষ্টির মধ্যেও হাজার হাজার নারী-পুরুষকে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। একই অবস্থা ছিল মঙ্গলবারও।
গামকা কার্যালয় সূত্র জানায়, তারা প্রতিদিন ৪ হাজার থেকে সাড়ে ৪ হাজার নারী-পুরুষকে মেডিকেল চেকআপ স্লিপ দেন। গড়ে প্রতি মাসে এ সংখ্যা দাঁড়ায় ৬০ থেকে ৭০ হাজার, আর বছরে দাঁড়ায় ৮ থেকে সাড়ে ৮ লাখ।
এই বিপুলসংখ্যক শ্রমিক গামকা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নানাভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে গামকার জেনারেল ম্যানেজার মো. লাহুয়ার রহমান যুগান্তরকে বলেন, প্রতিদিন ৪ থেকে ৫ হাজার শ্রমিক মেডিকেল স্লিপের জন্য আসে। যার প্রায় ৭০ ভাগ সৌদি আরব যেতে ইচ্ছুক। সৌদিতে শ্রমবাজার উন্মুক্ত হওয়ায় হঠাৎ এ অবস্থা তৈরি হয়েছে। তিনি জানান, পরিস্থিতি সামাল দিতে তারা কয়েকদিনের মধ্যে ভাটারায় মাদানী এভিনিউতে নতুন একটি অফিস খুলছেন। সেখানে ৩০টি কাউন্টারের মাধ্যমে সৌদি আরবে যেতে ইচ্ছুকদের দ্রুত সেবা দেয়া হবে। তখন এই অচলাবস্থা কেটে যাবে।
হয়রানি, প্রতারণা ও অনিয়ম সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, হাজার হাজার মানুষকে সেবা দিতে গিয়ে কিছু অনিয়মের অভিযোগ আসে। লাইনে দাঁড়িয়ে যদি কেউ দালাল বা প্রতারকের খপ্পরে পড়ে সে জন্য আমরা (গামকা) দায়ী নই। কারণ লাইন অনেক লম্বা হয়ে কানাডিয়ান হাইকমিশন পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। এত লোকজনকে নজরে রাখা গামকার কর্মীদের পক্ষে সম্ভব হয় না।
মঙ্গলবার লাইনে দাঁড়ানো অবস্থায় কথা হয় মানিকগঞ্জ থেকে আসা রোকসানার সঙ্গে। তিনি জানান, সৌদি আরব যাবেন গৃহকর্মীর ভিসায়। বিজয়নগরের একটি রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে তিন লাখ টাকা জমা দিয়েছেন। সেখান থেকে ফোন পেয়ে রোববার ওই রিক্রুটিং এজেন্সিতে গেলে পাসপোর্ট ও ভিসার কপি দিয়ে গামকা অফিসে যেতে বলা হয়। সোমবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে নাম এন্ট্রি করতে পারেননি। এরপর আবার মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টায় গিয়ে লাইনে দাঁড়ান। বেলা ২টা পর্যন্ত তিনি বই জমা দেয়ার সুযোগ পাননি।
গামকার তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর হচ্ছে- আল-ফালাহ মেডিকম ক্লিনিক (বনানী), আলগোফ্লাই মেডিকেল সেন্টার (বনানী), আল-হুমায়রা হেলথ কেয়ার (বনানী), আল-মদিনা মেডিকেল সার্ভিস (বনানী), আল-রিয়াদ মেডিকেল চেকআপ (বনানী), অ্যারাবিয়ান মেডিকেল সেন্টার (বনানী), চাঁদশী মেডিকেল সেন্টার (বনানী), ফেয়ার ওয়েজ মেডিকেল সেন্টার (গুলশান-১), গ্রীন ক্রিসেন্ট হেলথ সার্ভিস (বারিধারা), গালফ মেডিকেল সেন্টার (বনানী), গুলশান মেডিকেয়ার (গুলশান সাউথ এভিনিউ), হেলথ কেয়ার সেন্টার (পশ্চিম পান্থপথ), ইবনে সিনা মেডিকেল চেকআপ ইউনিট (উত্তর বাড্ডা), আইআইআরও মেডিকেল সেন্টার (উত্তরা), ইন্টারন্যাশনাল হেলথ কেয়ার লি. (বনানী), লাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টার (নয়াপল্টন), মক্কা মেডিকেল সেন্টার (বনানী), মেডিনোভা মেডিকেল সার্ভিস লি. (ধানমণ্ডি), মাসকাট মেডিকেল সেন্টার (বনানী), নাফা মেডিকেল সার্ভিস (বনানী), ন্যাশনাল মেডিকেল সেন্টার (বনানী), নোভা মেডিকেল সেন্টার (বনানী), পালস মেডিকেল সেন্টার (বনানী), পুষ্প ক্লিনিক (কাকলী), সাইমন মেডিকেল সেন্টার (বনানী) ও সৌদি-বাংলাদেশ সার্ভিস কোম্পানি (বনানী)। এর মধ্যে হাতেগোনা কয়েকটি বাদে বাকিগুলো নামসর্বস্ব।
সরেজমিন দেখা যায়, ভোর হওয়ার আগেই স্লিপ নিতে লাইনে দাঁড়ান লোকজন। বেলা বাড়ার সঙ্গে বাড়তে থাকে লাইনের দৈর্ঘ্য। ভিড় ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের রাস্তা, ফুটপাতেও। তাতেও পরিস্থিতি সামলানো যায় না। এ অবস্থায় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে অভিযোগ দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এ বিষয়ে সরেজমিন পরিদর্শন শেষে ১৫ দিনের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি সরিয়ে নেয়ার আলটিমেটাম দিয়েছেন ঢাকা উত্তরের মেয়র আনিসুল হক।
এদিকে ভুক্তভোগী শ্রমিকদের অভিযোগ- দালাল, নিরাপত্তা প্রহরী ও পুলিশ টাকার বিনিময়ে সিরিয়াল ছাড়াই লোক ভেতরে ঢোকায়। ফলে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও আমাদের বঞ্চনার শিকার হতে হয়। এ নিয়ে বাকবিতণ্ডা, হাতাহাতি লেগেই থাকে। মঙ্গলবার দুপুরেও দেখা যায়, গামকার নিরাপত্তা প্রহরীরা দুই যুবককে সিরিয়াল ছাড়া ঢুকতে দিয়েছে- এমন অভিযোগে হাতাহাতি লেগে যায়।
এছাড়া গামকা কার্যালয়ের সামনে রয়েছে অজ্ঞান পার্টি, প্রতারক ও দালালসহ বিভিন্ন ধরনের টাউট-বাটপার দলের দৌরাত্ম্য। চাঁদপুরের কচুয়া থেকে রোববার পাসপোর্ট ও ভিসা নিয়ে গামকা কার্যালয়ে আসেন ইউসুফ আলী। প্রতারণার শিকার ইউসুফ আলী যুগান্তরকে জানান, এক দালাল তাকে এক ঘণ্টার মধ্যে স্লিপ এনে দেয়ার কথা বলে ৫০০ টাকা চায়। তিনি ৩০০ টাকা দেন। দালাল তার (ইউসুফ) ভিসা ও পাসপোর্ট নিয়ে ভেতরে যাওয়ার পর থেকে আর খোঁজ নেই।
রাজধানীর বিজয়নগরের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি রিক্রুটিং এজেন্সির মালিক যুগান্তরকে বলেন, গামকা মূলত একটি প্রতারক সিন্ডিকেট। শ্রমিকদের জিম্মি করে অর্থ আদায় করাই তাদের কাজ। বিভিন্ন সময় শ্রমিকদের বলে- এই রোগ আছে, সেই রোগ আছে, মেডিকেল আনফিট। যখন কিছু ঘুষ দেয় তখন আবার সব ফিট। অথচ গামকা থেকে স্লিপ নেয়ারই প্রয়োজন নেই। মেডিকেল সেন্টারগুলোতে ছবি তুলে স্লিপ দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে চেকআপ করলে এবং কোয়ালিটি মেডিকেল সেন্টারের সংখ্যা বাড়ালে এত দুর্ভোগ হতো না।
প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা যুগান্তরের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, গামকা মূলত শ্রমিকদের হয়রানির একটি সিন্ডিকেট। তারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ও আইসিডিডিআরবির মতো প্রতিষ্ঠানের মেডিকেল রিপোর্টও গ্রহণ করে না। অথচ তাদের তালিকাভুক্ত মানহীন প্রতিষ্ঠানের রিপোর্ট নেয়।

সৌদি আরব থেকে অসংখ নারী শ্রমিক পেটে বাচ্চা নিয়ে দেশে ফিরছেন !! সৌদি আরব থেকে অসংখ নারী শ্রমিক পেটে বাচ্চা নিয়ে দেশে ফিরছেন !! সৌদি আরব থেকে অসংখ নারী শ্রমিক পেটে বাচ্চা নিয়ে দেশে ফিরছেন !! সৌদি আরব থেকে অসংখ নারী শ্রমিক পেটে বাচ্চা নিয়ে দেশে ফিরছেন !! সৌদি আরব থেকে অসংখ নারী শ্রমিক পেটে বাচ্চা নিয়ে দেশে ফিরছেন !! সৌদি আরব থেকে অসংখ নারী শ্রমিক পেটে বাচ্চা নিয়ে দেশে ফিরছেন !! সৌদি আরব থেকে অসংখ নারী শ্রমিক পেটে বাচ্চা নিয়ে দেশে ফিরছেন !! সৌদি আরব থেকে অসংখ নারী শ্রমিক পেটে বাচ্চা নিয়ে দেশে ফিরছেন !! সৌদি আরব থেকে অসংখ নারী শ্রমিক পেটে বাচ্চা নিয়ে দেশে ফিরছেন !! 

সৌদি আরব থেকে অসংখ নারী শ্রমিক পেটে বাচ্চা নিয়ে দেশে ফিরছেন !! সৌদি আরব থেকে অসংখ নারী শ্রমিক পেটে বাচ্চা নিয়ে দেশে ফিরছেন !! সৌদি আরব থেকে অসংখ নারী শ্রমিক পেটে বাচ্চা নিয়ে দেশে ফিরছেন !! সৌদি আরব থেকে অসংখ নারী শ্রমিক পেটে বাচ্চা নিয়ে দেশে ফিরছেন !! সৌদি আরব থেকে অসংখ নারী শ্রমিক পেটে বাচ্চা নিয়ে দেশে ফিরছেন !! সৌদি আরব থেকে অসংখ নারী শ্রমিক পেটে বাচ্চা নিয়ে দেশে ফিরছেন !! সৌদি আরব থেকে অসংখ নারী শ্রমিক পেটে বাচ্চা নিয়ে দেশে ফিরছেন !! সৌদি আরব থেকে অসংখ নারী শ্রমিক পেটে বাচ্চা নিয়ে দেশে ফিরছেন !! সৌদি আরব থেকে অসংখ নারী শ্রমিক পেটে বাচ্চা নিয়ে দেশে ফিরছেন !! সৌদি আরব থেকে অসংখ নারী শ্রমিক পেটে বাচ্চা নিয়ে দেশে ফিরছেন !! সৌদি আরব থেকে অসংখ নারী শ্রমিক পেটে বাচ্চা নিয়ে দেশে ফিরছেন !! সৌদি আরব থেকে অসংখ নারী শ্রমিক পেটে বাচ্চা নিয়ে দেশে ফিরছেন 

আমরা যারা বাহিরে খাই সাবধান, দেখুন প্রতিদিন আমরা কি খাই (ভিডিও সহ)


খাচ্ছি তো প্রতিদিনই; পেট ভরছে, চাঙ্গা হচ্ছে শরীর। কিন্তু আমরা একবারও কী ভাবি- যা খাচ্ছি, তাপ পুষ্টি মেটাতে পারছে কি-না? খাবারগুলো সুষম কি-না? এ দেশে খাদ্য উৎপাদন ও সরবরাহ পর্যাপ্ত হলেও, পুষ্টি ঘাটতি রয়েই যায়। পাশাপাশি, নকল-ভেজাল আর মেয়াদ শেষ হওয়া খাবারের ভয়তো আছেই। এতকিছুর পরও ভালো খাবার খাওয়া, আর সুস্থ থাকা সম্ভব।

ডি জে পার্টিতে আল্লাহর গজব !! (দেখুন ভিডিও সহ)

বিয়ের আসরে নাচতে এসেছিল একটি দল। তাদের মধ্যেই ছিলেন গর্ভবতী একজন। তার নাচ দেখে ভালো লেগে যায় মাতাল এক যুবকের। ওই নারীকে আহ্বান জানান তার সঙ্গে নাচতে। কিন্তু সাড়া না দেয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে সবার সামনেই গুলি চালায় যুবক। গুলিটি লাগে গর্ভবতী নারীর পেটে, সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের পঞ্জাবের ভাতিন্ডায়। নিহতের নাম কুলবিন্দার।

সমস্ত ঘটনাটাই ধরা পড়েছে সিসিটিভি’র ফুটেজে। ঘাতক যুবকসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলাও দায়ের করা হয়েছে। জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপারসন ললিতা কুমারমঙ্গলম ওই যুবককে কঠোর শাস্তি দেয়ার দাবি জানিয়েছেন।

খেলা শেষে তাবলিগে আফ্রিদি (ভিডিও সহ )

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) খেলতে পাকিস্তানের অলরাউন্ডার শহীদ আফ্রিদি এখন ঢাকায়। এবারের আসরে তিনি রংপুর রাইডার্সের হয়ে খেলছিলেন। বিপিএলের শেষ চারে ঠাঁই না হওয়ায় এবার তার দেশে ফেরার পালা।

তবে হাতে কিছু সময় থাকায় ঢাকায় পাকিস্তানের তাবলিগ জামাতে যোগ দেন তিনি। সেখানে তাবলিগের মুরব্বীদের সঙ্গে রাতের খাবার খান ও বয়ান শুনেন।
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) শুরু থেকেই আফ্রিদিকে দলে পায় রংপুর রাইডার্স। ঢাকা পর্বে ব্যাট হাতে ভক্তদের প্রত্যাশা খুব একটা পূরণ করতে না পারলেও বোলিংয়ে পুষিয়ে দেন তিনি। পাকিস্তানের সাবেক টি-২০ ও ওয়ানডে অধিনায়কের এমন পারফরম্যান্সের ওপর ভর করেই চট্টগ্রাম পর্ব শেষে পয়েন্ট তালিকায় শীর্ষে ওঠে রংপুর।
এরপর নিজের নামে স্টেডিয়াম উদ্বোধন করতেই পাকিস্তান উড়ে যান বুমবুম খ্যাত এ তারকা। দেশে চলে যাওয়ায় তাকে ছাড়া ফের শুরু হওয়া ঢাকা পর্বে তিনটি ম্যাচ খেলে নাঈমরা। অাফ্রিদিবিহীন প্রথম ম্যাচটিই হেরে যায় রংপুর। পরের দু’টিতেও খুব একটা ভালো করতে পারেনি।

পরে ঢাকায় ফিরে যোগ দিলেও দলের ভাগ্য পাল্টেনি। একের পর এক হারের মধ্যে থেকেছে রংপুর। ফলে বিপিএলের শেষ আটে উঠতে পারেনি রংপুর রাইডার্স।

নারী কেলেঙ্কারির বিষয়ে মুখ খুললেন সাব্বির (ভিডিও সহ বিস্তারিত)

কিছুটা দেরিই হয়েছে। তবে এবার সেই কেলেঙ্কারির ঘটনায় নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করলেন সাব্বির। মাঠের বাইরে শৃংখলা ভঙ্গের অভিযোগে রাজশাহী কিংসের সাব্বির রহমানের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) পারিশ্রমিকের এক-তৃতীয়াংশ কেটে নেওয়া হয়েছে। সাব্বির রহমানের পারিশ্রমিক ৪০ লাখ টাকা। এর অর্থ হল, প্রায় ১৩ লাখ টাকা জরিমানার মুখে পড়তে হল তাকে।
কিছু কিছু গণমাধ্যমের অভিযোগ, নারী ঘটিত সমস্যায় জড়িয়ে এই জরিমানার মুখে পড়তে হয়েছে তাকে। একই কারণেই বরিশাল বুলসের পেসার আল আমিন হোসেনের পারিশ্রমিকের অর্ধেক কেটে নেওয়া হয়েছে। দেরিতে হলেও সেই ঘটনায় নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করলেন সাব্বির।

ভিডিওবার্তায় সাব্বিরের পুরেো বক্তব্য পাঠকেদের জন্য হুবহু দেওয়া হল…
সবাই নিশ্চয়ই ভাল আছেন। আমি আমার কিছু ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে আপনাদের সাথে আলাপ করতে চাই। এজন্য আমি ভিডিওতে আসলাম। কিছুদিন ধরে মিডিয়া বা ফেসবুকে আমার কিছু পার্সোনাল প্রবলেমের কথা শুনেছেন। আপনাদের কি বিশ্বাস হয় আমি এই কাজটা করেছি?
দেখুন, মেয়ে কিংবা ছেলে, ছোট কিংবা বৃদ্ধ – সবাই আমার ফ্যান। একজন খেলোয়াড় হিসেবে আমি তো কখনওই কাউকে ছবি তুলতে বারণ করতে পারবো না। আমি শপিং মলে যায়, রেস্টুরেস্টে খেতে যাই, সিনেমা হলে যাই।
এমন সময়ে কোনো মেয়ে যদি এসে আমার সাথে ছবি তুলতে চায় তাহলে কি আমি তাকে না বলতে পারবো? কখনওই পারবো না। সিঙ্গেল ছবি তোলে, ফেসবুকে দেয়। এখন ছবিটা যদি কেউ ফেসবুকে দেয় সেটা কি আমার দোষ? কখনওই আমার দোষ না!

আপনারা যদি মনে হয় কাজগুলো আমি করেছি, তাহলে আমার কিছু বলার নাই আসলে। আর যদি মনে করেন আমি এই কাজটি করিনি, তাহলে প্লিজ এই ভিডিওটি সবার মাঝে ছড়িয়ে দিন; সবাই বুঝুক আমি এই কাজটা কখনওই করতে পারি না। আমার মনে হয় না আমি এই কাজ করেছি।

যেখানে ট্রেনের যাত্রীরা শুধু ভয়েই প্রাণ হরায় (ভিডিও)

বিশ্বের সবচেয়ে ভয়াবহ রেল সেতু, প্রতি বছরে অনেক যাত্রী শুধু ভয়েই প্রাণ হরায়