Free Movie Download Wazir 2016 HD 720p

Free Movie Download Wazir 2016 HD 720p



Movie Info

Full Name: Wazir 2015 Free Movie Download HD 720
Size: 895 MB
Quality: HD 720p
Genres:  Crime, Drama, Mystery
Release Date:  8 January 2016 
Language: Hindi
Cast:  Farhan Akhtar, Aditi Rao Hydari, Amitabh Bachchan John Abraham
Wazir 2016 is an coming Hindi activity thriller film featuring Amitabh Bachchan, Aditi Rao Hydari, Farhan Akhtar, John Abraham, Neil Nitin Mukesh and coordinated by Bejoy Nambiar.

নবাব’-এর শুটিং এর ফাকে লাইভে শাকিব খান নতুন শুটিং ভিডিও

শাকিব খান ও শুভ্রশ্রী অভিনীত ‘নবাব’ ছবির শুটিং শুরু হয়েছে শুক্রবার। কক্সবাজারে ছবির শুটিং চলবে টানা আট দিন। শুটিংয়ে শাকিব খান ও শুভশ্রী ছাড়াও অন্য কলাকুশলীরা অংশ নিচ্ছেন। এরপর কলকাতা ও থাইল্যান্ডে ছবির শুটিং শেষ হবে।
ছবিটি পরিচালনা করছেন আবদুল আজিজ ও কলকাতার জয়দেব মুখার্জি। ছবির চিত্রনাট্য লিখছেন বাংলাদেশের আবদুল্লাহ জহির বাবু ও কলকাতার পেলে।

ছবিতে আরো দেখা যাবে মেঘলা, অমিত হাসান, শিবাশানু, রেবেকা এবং কলকাতার রজতাভ দত্তকে। শাকিব খান বলেন, দারুণ কিছু নিয়ে হাজির হতে যাচ্ছি। দর্শকরা নতুন এক শাকিবকেই দেখতে পাবেন। গল্প থেকে শুরু করে সবকিছুই ভালো লেগেছে। লুকেরও পরিবর্তন এনেছি।

ছাত্র – ছাত্রী স্কুল ফাঁকি দিয়ে পার্কে গিয়ে কি করে ? (দেখুন ভিডিও সহ)

ছাত্র – ছাত্রী স্কুল ফাঁকি দিয়ে পার্কে গিয়ে কি করে ? (দেখুন ভিডিও সহ)


দেখুন ভিডিও


ভেজাল ওষুধে সয়লাব দেশ ! মোড়ক নকল করে বাজারে ভেজাল ওষুধ (ভিডিও)


ভেজাল ওষুধে সয়লাব গোটা দেশ। কী শহর, কী প্রত্যন্ত গ্রাম সর্বত্রই রোগী আসল ওষুধের মূল্য দিয়ে নকল ওষুধ কিনে প্রতারিত হচ্ছেন। ফলে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি। সংসদীয় কমিটির তদন্তে জানা যায়, দেশের ১৯৩টি কোম্পানির মধ্যে ৫৯টিতেই উৎপাদন করা হচ্ছে ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধ। ভেজাল ওষুধ প্রস্তুতকারীরা বাজারের ভালো ব্র্যান্ডের ওষুধের মোড়ক, প্যাকেট ও বোতল নকল করে ওষুধ তৈরি করছে। আর এর মাধ্যমে বছরে প্রায় আড়াই শ কোটি টাকার নকল ওষুধ বিক্রি করা হচ্ছে। র‌্যাবের ম্যাজিস্ট্রেটরা জানান, ভেজাল ওষুধের মধ্যে আটা, ময়দা, চিনি, বেসন, নিম্নমানের ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রেড (ওষুধের কাঁচামাল) ও পানি মেশানো হচ্ছে। অন্যদিকে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর পর্যাপ্ত তদারকি ও নজরদারির অভাবে গ্রামগঞ্জ, মফস্বলের ফার্মেসিগুলো এখন ভেজাল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধে সয়লাব হয়ে যাচ্ছে। রাজধানীর সবচেয়ে বড় ওষুধের মার্কেট মিটফোর্ড থেকেই বেশির ভাগ ভেজাল ওষুধ দেশের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে পড়ছে বলে জানা গেছে।
কেন্দ্রীয় ওষুধ পরীক্ষাগারের তথ্য মতে, ২০১৩ সালের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সংস্থাটি প্রায় সাড়ে তিন হাজার ওষুধের নমুনা পরীক্ষা করে। এর মধ্যে ভেজাল ও নিুমানের ওষুধ পাওয়া গেছে ১২৫টি। ২০০৯ সাল থেকে সংসদীয় কমিটিসহ কয়েকটি তদন্ত কমিটির অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ৫৯টি প্রতিষ্ঠান ভেজাল ওষুধ তৈরিতে জড়িত। এর মধ্যে কিছু প্রতিষ্ঠানকে সংশোধনের সময় দেওয়া হলেও সংসদীয় কমিটি ২৯টি প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন বাতিলের সুপারিশ করে। তবে আইনি জটিলতার কারণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারছে না ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর। প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তাদের মতে, মামলা নিষ্পত্তিতে দীর্ঘ সময় লাগার কারণে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছেন না। অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, কম জনবল দিয়ে ভেজাল ওষুধের আগ্রাসন ঠেকানো সম্ভব নয়। বাংলাদেশ কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের ডেপুটি সেক্রেটারি মো. মনির হোসেন বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, মানুষ এখন বেশি টাকা দিয়ে মানহীন ওষুধ খাচ্ছে। রোগীরা মুনাফালোভী বেসরকারি ওষুধ কোম্পানিগুলোর হাতে জিম্মি।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কেরানীগঞ্জ, কামরাঙ্গীরচর, হাজারীবাগ, লালবাগ, যাত্রাবাড়ী, ডেমরা, জিঞ্জিরা, মুগদা, বনশ্রী, মিরপুর ও পুরান ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় ভেজাল ও নকল ওষুধ তৈরির কারখানার সন্ধান পাওয়া গেছে। এসব কারখানা থেকে আটক হওয়াদের কারাদণ্ড হলেও ছাড়া পেয়ে পুরনো ব্যবসায় ফিরে যান। ওষুধ মালিক সমিতির মতে, ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের গাফিলতির কারণে ভেজাল ওষুধ প্রস্তুতকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না। পাইকারি মূল্য কম হওয়ায় কিছু অসাধু খুচরা ব্যবসায়ী নিুমানের ওষুধ বিক্রি করছেন। তারা ডাক্তারের পরামর্শপত্রে যে ওষুধের নাম লেখা থাকে তা না দিয়ে রোগীকে একই ওষুধ বলে নিুমানের ওষুধ গছিয়ে দিচ্ছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওষুধ ও প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক আ ব ম ফারুক জানান, ভেজাল ও নকল ওষুধ মূলত বিক্রি করছে অনুমোদনহীন কিছু কোম্পানি। এর সঙ্গে যে ওষুধগুলোর বিক্রি বেশি অসাধু ব্যবসায়ীরা সে ওষুধের প্রয়োজনীয় ও নির্দিষ্ট কাঁচামালের পরিবর্তে নিুমানের পদার্থ মিশিয়ে আসল ওষুধের প্যাকেট বা নাম দিয়ে নকল ওষুধ তৈরি করছেন। এ ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীরা মুনাফালোভী চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগসাজশ করে এ ধরনের অপকর্ম করছেন। জানা যায়, ভেজাল ও নকল ওষুধের মধ্যে বাজারে ভালো চাহিদা রয়েছে এমন ধরনের বিভিন্ন প্রকার অ্যান্টিবায়োটিক, হরমোন ও অ্যালোপ্যাথিক ওষুধের পরিমাণ বেশি। এদিকে নকল ও ভেজাল ওষুধে বাজার সয়লাব হওয়ায় রোগীদের স্বাস্থ্যঝুঁকির পাশাপাশি আসল ওষুধের দামে নকল ওষুধ কিনে প্রতারিত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।
নকল ওষুধ : বিক্রি হওয়া ইনজেকশনের মধ্যে নকল হচ্ছে হাইড্রোকরটসিন, মিথাইল প্রডেনিসোল গ্রুপের ইনজেকশন। ময়দা দিয়ে নকল হচ্ছে যক্ষ্মায় ব্যবহৃত রিফিমপিসিন ট্যাবলেট। কিডনি ও ক্যানসার চিকিৎসায় ব্যবহৃত ইপরেক্স ইনজেকশনেরও ভেজাল তৈরি হচ্ছে। দেশে সোয়া দুই লাখের বেশি ওষুধের দোকান থাকলেও রেজিস্টার্ড ৬০ হাজার দোকানে বিক্রি হচ্ছে ভেজাল ও নকল ওষুধ। র‌্যাবের অভিযানে মিটফোর্ড বাবুবাজারে আইসিডিডিআরবির নকল রাইস স্যালাইন তৈরির কারখানার সন্ধান পাওয়া যায়। এখানে অসাধু চক্র ফার্মা গ্রেড কাঁচামালের পরিবর্তে ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রেড কাঁচামাল ব্যবহার করত। সাধারণত নিচুমানের ওষুধের মূল্য ভালো ব্র্যান্ডের ওষুধের মূল্যের প্রায় সমান কিন্তু বাজারে চালানোর জন্য পাইকারি মূল্য কম ধরা হয়। যেমন আসল গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ অমিপ্রাজলের মূল্য ৪০০ টাকার বেশি হলেও নকল অমিপ্রাজলের পাইকারি মূল্য ৭০ টাকার বেশি। ব্যথার ওষুধ ডাইক্লোফেনাক ১০০ টাকা হলেও নকল ওষুধের দাম ১৭ টাকা। এ ছাড়া নকল ওষুধের মধ্যে আরও তৈরি হচ্ছে হরমোলিড বায়োজেন, রেনিটিডিন, মাই গ্লোড, সাসটন নামের বিভিন্ন ওষুধ। এসব কারখানায় কোনো দক্ষ ক্যামিস্ট বা ফার্মাসিস্ট দ্বারা ওষুধ তৈরি হয় না। বাংলাদেশ কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতি সূত্র জানায়, ভেজাল ওষুধের মধ্যে আটা, ময়দা, চিনি, বেসন, পানি মিশিয়ে ট্যাবলেট ও ক্যাপসুল তৈরি হয়। বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, নকল বা ভেজাল ওষুধ সেবনে যেমন রোগের প্রতিকার হয় না, তেমনি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ারও আশঙ্কা থাকে।
ভেজাল ওষুধে সয়লাব গ্রামগঞ্জ : এদিকে ভেজাল, নকল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধে সয়লাব হয়ে গেছে গ্রামগঞ্জসহ মফস্বলের বাজার। এর মূল কারণ পর্যাপ্ত তদারকি ও নজরদারি নেই। ভেজাল ওষুধ তৈরিকারী সংঘবদ্ধ চক্র এ ভেজাল ওষুধগুলো ছড়িয়ে দিচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ অবস্থায় প্রয়োজন একটি যুগোপযোগী ওষুধনীতি। জানা যায়, সরকারি হাসপাতালগুলোয় বিনামূল্যের ওষুধ বিক্রি হচ্ছে খোলাবাজারে। ঢাকাসহ সারা দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোর কর্মচারীরা হাসপাতালের ওষুধ ফার্মেসিতে নিয়ে বিক্রি করে দিচ্ছেন এমন অভিযোগ বেশ পুরনো। অনেক সময় মফস্বলের ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ সরকারি ওষুধও বিক্রি হতে দেখা যায়। তবে আশঙ্কার বিষয়, বাংলাদেশে বিক্রি হওয়া ওষুধের পেটেন্ট (স্বত্ব) অন্য দেশের। ২০১৫ সালের মধ্যে এই পেটেন্টের মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে। আর সে সময় রোগীদের বিদেশি আমদানিকৃত ওষুধ বর্তমান বাজারমূল্য থেকে কয়েক গুণ বেশি দামে কিনতে হবে। এ অবস্থায় বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন, নকল ওষুধ তৈরির প্রবণতা আরও বাড়তে পারে। - ঝবব সড়ৎব ধঃ: যঃঃঢ়://িি.িনফ-ঢ়ৎধঃরফরহ.পড়স/ষধংঃ-ঢ়ধমব/২০১৪/০৫/২৪/৭৭২০#ংঃযধংয.ঔঐঐািঈৎঢ.ফঢ়ঁভভেজাল ওষুধে সয়লাব গোটা দেশ। কী শহর, কী প্রত্যন্ত গ্রাম সর্বত্রই রোগী আসল ওষুধের মূল্য দিয়ে নকল ওষুধ কিনে প্রতারিত হচ্ছেন। ফলে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি। সংসদীয় কমিটির তদন্তে জানা যায়, দেশের ১৯৩টি কোম্পানির মধ্যে ৫৯টিতেই উৎপাদন করা হচ্ছে ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধ। ভেজাল ওষুধ প্রস্তুতকারীরা বাজারের ভালো ব্র্যান্ডের ওষুধের মোড়ক, প্যাকেট ও বোতল নকল করে ওষুধ তৈরি করছে। আর এর মাধ্যমে বছরে প্রায় আড়াই শ কোটি টাকার নকল ওষুধ বিক্রি করা হচ্ছে। র‌্যাবের ম্যাজিস্ট্রেটরা জানান, ভেজাল ওষুধের মধ্যে আটা, ময়দা, চিনি, বেসন, নিম্নমানের ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রেড (ওষুধের কাঁচামাল) ও পানি মেশানো হচ্ছে। অন্যদিকে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর পর্যাপ্ত তদারকি ও নজরদারির অভাবে গ্রামগঞ্জ, মফস্বলের ফার্মেসিগুলো এখন ভেজাল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধে সয়লাব হয়ে যাচ্ছে। রাজধানীর সবচেয়ে বড় ওষুধের মার্কেট মিটফোর্ড থেকেই বেশির ভাগ ভেজাল ওষুধ দেশের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে পড়ছে বলে জানা গেছে।
কেন্দ্রীয় ওষুধ পরীক্ষাগারের তথ্য মতে, ২০১৩ সালের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সংস্থাটি প্রায় সাড়ে তিন হাজার ওষুধের নমুনা পরীক্ষা করে। এর মধ্যে ভেজাল ও নিুমানের ওষুধ পাওয়া গেছে ১২৫টি। ২০০৯ সাল থেকে সংসদীয় কমিটিসহ কয়েকটি তদন্ত কমিটির অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ৫৯টি প্রতিষ্ঠান ভেজাল ওষুধ তৈরিতে জড়িত। এর মধ্যে কিছু প্রতিষ্ঠানকে সংশোধনের সময় দেওয়া হলেও সংসদীয় কমিটি ২৯টি প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন বাতিলের সুপারিশ করে। তবে আইনি জটিলতার কারণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারছে না ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর। প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তাদের মতে, মামলা নিষ্পত্তিতে দীর্ঘ সময় লাগার কারণে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছেন না। অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, কম জনবল দিয়ে ভেজাল ওষুধের আগ্রাসন ঠেকানো সম্ভব নয়। বাংলাদেশ কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের ডেপুটি সেক্রেটারি মো. মনির হোসেন বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, মানুষ এখন বেশি টাকা দিয়ে মানহীন ওষুধ খাচ্ছে। রোগীরা মুনাফালোভী বেসরকারি ওষুধ কোম্পানিগুলোর হাতে জিম্মি।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কেরানীগঞ্জ, কামরাঙ্গীরচর, হাজারীবাগ, লালবাগ, যাত্রাবাড়ী, ডেমরা, জিঞ্জিরা, মুগদা, বনশ্রী, মিরপুর ও পুরান ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় ভেজাল ও নকল ওষুধ তৈরির কারখানার সন্ধান পাওয়া গেছে। এসব কারখানা থেকে আটক হওয়াদের কারাদণ্ড হলেও ছাড়া পেয়ে পুরনো ব্যবসায় ফিরে যান। ওষুধ মালিক সমিতির মতে, ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের গাফিলতির কারণে ভেজাল ওষুধ প্রস্তুতকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না। পাইকারি মূল্য কম হওয়ায় কিছু অসাধু খুচরা ব্যবসায়ী নিুমানের ওষুধ বিক্রি করছেন। তারা ডাক্তারের পরামর্শপত্রে যে ওষুধের নাম লেখা থাকে তা না দিয়ে রোগীকে একই ওষুধ বলে নিুমানের ওষুধ গছিয়ে দিচ্ছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওষুধ ও প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক আ ব ম ফারুক জানান, ভেজাল ও নকল ওষুধ মূলত বিক্রি করছে অনুমোদনহীন কিছু কোম্পানি। এর সঙ্গে যে ওষুধগুলোর বিক্রি বেশি অসাধু ব্যবসায়ীরা সে ওষুধের প্রয়োজনীয় ও নির্দিষ্ট কাঁচামালের পরিবর্তে নিুমানের পদার্থ মিশিয়ে আসল ওষুধের প্যাকেট বা নাম দিয়ে নকল ওষুধ তৈরি করছেন। এ ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীরা মুনাফালোভী চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগসাজশ করে এ ধরনের অপকর্ম করছেন। জানা যায়, ভেজাল ও নকল ওষুধের মধ্যে বাজারে ভালো চাহিদা রয়েছে এমন ধরনের বিভিন্ন প্রকার অ্যান্টিবায়োটিক, হরমোন ও অ্যালোপ্যাথিক ওষুধের পরিমাণ বেশি। এদিকে নকল ও ভেজাল ওষুধে বাজার সয়লাব হওয়ায় রোগীদের স্বাস্থ্যঝুঁকির পাশাপাশি আসল ওষুধের দামে নকল ওষুধ কিনে প্রতারিত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।
নকল ওষুধ : বিক্রি হওয়া ইনজেকশনের মধ্যে নকল হচ্ছে হাইড্রোকরটসিন, মিথাইল প্রডেনিসোল গ্রুপের ইনজেকশন। ময়দা দিয়ে নকল হচ্ছে যক্ষ্মায় ব্যবহৃত রিফিমপিসিন ট্যাবলেট। কিডনি ও ক্যানসার চিকিৎসায় ব্যবহৃত ইপরেক্স ইনজেকশনেরও ভেজাল তৈরি হচ্ছে। দেশে সোয়া দুই লাখের বেশি ওষুধের দোকান থাকলেও রেজিস্টার্ড ৬০ হাজার দোকানে বিক্রি হচ্ছে ভেজাল ও নকল ওষুধ। র‌্যাবের অভিযানে মিটফোর্ড বাবুবাজারে আইসিডিডিআরবির নকল রাইস স্যালাইন তৈরির কারখানার সন্ধান পাওয়া যায়। এখানে অসাধু চক্র ফার্মা গ্রেড কাঁচামালের পরিবর্তে ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রেড কাঁচামাল ব্যবহার করত। সাধারণত নিচুমানের ওষুধের মূল্য ভালো ব্র্যান্ডের ওষুধের মূল্যের প্রায় সমান কিন্তু বাজারে চালানোর জন্য পাইকারি মূল্য কম ধরা হয়। যেমন আসল গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ অমিপ্রাজলের মূল্য ৪০০ টাকার বেশি হলেও নকল অমিপ্রাজলের পাইকারি মূল্য ৭০ টাকার বেশি। ব্যথার ওষুধ ডাইক্লোফেনাক ১০০ টাকা হলেও নকল ওষুধের দাম ১৭ টাকা। এ ছাড়া নকল ওষুধের মধ্যে আরও তৈরি হচ্ছে হরমোলিড বায়োজেন, রেনিটিডিন, মাই গ্লোড, সাসটন নামের বিভিন্ন ওষুধ। এসব কারখানায় কোনো দক্ষ ক্যামিস্ট বা ফার্মাসিস্ট দ্বারা ওষুধ তৈরি হয় না। বাংলাদেশ কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতি সূত্র জানায়, ভেজাল ওষুধের মধ্যে আটা, ময়দা, চিনি, বেসন, পানি মিশিয়ে ট্যাবলেট ও ক্যাপসুল তৈরি হয়। বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, নকল বা ভেজাল ওষুধ সেবনে যেমন রোগের প্রতিকার হয় না, তেমনি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ারও আশঙ্কা থাকে।
ভেজাল ওষুধে সয়লাব গ্রামগঞ্জ : এদিকে ভেজাল, নকল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধে সয়লাব হয়ে গেছে গ্রামগঞ্জসহ মফস্বলের বাজার। এর মূল কারণ পর্যাপ্ত তদারকি ও নজরদারি নেই। ভেজাল ওষুধ তৈরিকারী সংঘবদ্ধ চক্র এ ভেজাল ওষুধগুলো ছড়িয়ে দিচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ অবস্থায় প্রয়োজন একটি যুগোপযোগী ওষুধনীতি। জানা যায়, সরকারি হাসপাতালগুলোয় বিনামূল্যের ওষুধ বিক্রি হচ্ছে খোলাবাজারে। ঢাকাসহ সারা দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোর কর্মচারীরা হাসপাতালের ওষুধ ফার্মেসিতে নিয়ে বিক্রি করে দিচ্ছেন এমন অভিযোগ বেশ পুরনো। অনেক সময় মফস্বলের ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ সরকারি ওষুধও বিক্রি হতে দেখা যায়। তবে আশঙ্কার বিষয়, বাংলাদেশে বিক্রি হওয়া ওষুধের পেটেন্ট (স্বত্ব) অন্য দেশের। ২০১৫ সালের মধ্যে এই পেটেন্টের মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে। আর সে সময় রোগীদের বিদেশি আমদানিকৃত ওষুধ বর্তমান বাজারমূল্য থেকে কয়েক গুণ বেশি দামে কিনতে হবে। এ অবস্থায় বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন, নকল ওষুধ তৈরির প্রবণতা আরও বাড়তে পারে।

বিদেশ যেতে মেডিকেল চেকআপের নামে নানা অনিয়ম ও হয়রানি ।


‘সিলেট থেকে নাইট কোচে এসে ভোর ৬টায় লাইনে দাঁড়াইছি। এখন বেলা আড়াইটা বাজে। সারাদিন পানি আর বিস্কুট ছাড়া কিছু খাই নাই। মাথা ঘুরাইতেছে, এভাবে লাইনে দাঁড়াইয়া থাকলে মারা যাব।’ মঙ্গলবার দুপুরে গুলশানে জিসিসি অ্যাপ্র“ভড মেডিকেল সেন্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (গামকা) অফিসের সামনে লাইনে দাঁড়িয়ে কথাগুলো বলেন সৌদি আরব যেতে ইচ্ছুক শ্রমিক ইসরাফিল হোসেন। তখনও লাইনে দাঁড়িয়ে আছে তার মতোই ৫ হাজারের বেশি নারী-পুরুষ শ্রমিক। সবাই এসেছেন মেডিকেল চেকআপ স্লিপের জন্য। তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল অবর্ণনীয় দুর্ভোগ আর নজিরবিহীন ভোগান্তির কথা।

বৈদেশিক কর্মসংস্থান সংশ্লিষ্ট শ্রমিক, রিক্রুটিং এজেন্সি, মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মূলত গামকা সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে মধ্যপ্রাচ্যে যেতে ইচ্ছুক লাখ লাখ শ্রমিক। সিন্ডিকেটটি মেডিকেল চেকআপের নামে একচেটিয়া মনোপলি ব্যবসা করছে। ইচ্ছেমতো ফি আদায় করছে। দিনের পর দিন দাঁড়িয়ে থাকতে হয় শুধু একটি স্লিপের জন্য। আর এ সময় প্রতারণার শিকার হতে হয় দালাল ও মধ্যস্বত্বভোগীদের হাতে।
গামকায় হয়রানির বিষয়ে জানতে চাইলে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি মঙ্গলবার যুগান্তরকে বলেন, আমাদের কাছে এ বিষয়ে কেউ অভিযোগ করেনি। ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে অভিযোগ পেলে গামকার কার্যালয় বিকেন্দ্রীকরণসহ তাদের হয়রানি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
জিসিসিভুক্ত (গালফ কো-অপারেটিভ কাউন্সিল) দেশ সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, ওমান, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাত যেতে হলে শ্রমিকদের গামকা অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান থেকে মেডিকেল চেকআপ করাতে হয়। এন্ট্রি স্লিপের জন্য গামকায় দিতে হয় ৩০০ টাকা। রক্তের এইচআইভি, মূত্র পরীক্ষাসহ কয়েকটি পরীক্ষা ও বুকের একটি এক্সরের জন্য জনপ্রতি মেডিকেল সেন্টারে জমা দিতে হয় ৫ হাজার টাকা। অথচ এসব চেকআপ দেড় থেকে দুই হাজার টাকায় অন্যত্র করানো সম্ভব।

চেকআপ করানোর আগে গামকার গুলশান-২ এর ৯৪ নম্বর সড়কের বাড়ি নং-৪/এ কার্যালয়ে গিয়ে পাসপোর্ট ও ভিসার তথ্য সার্ভারে এন্ট্রি করানোর পাশাপাশি ছবি তুলতে হয়। সেখান থেকে প্রিন্ট নিয়ে গামকার সদস্যভুক্ত ২৬টি মেডিকেল সেন্টারের কোনো একটিতে মেডিকেল চেকআপ করতে হয়। সিলেট ও চট্টগ্রামে আরও দুটি এন্ট্রি পয়েন্ট থাকলেও সবাই ছোটেন গুলশানে।
ছবি তোলা ও সার্ভারে তথ্য এন্ট্রির জন্য প্রতিদিন কাকডাকা ভোর থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত হাজার হাজার বিদেশ যেতে ইচ্ছুক নারী-পুরুষ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকেন। গত কয়েকদিন গুলশানে গামকার কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু করে পুরো সড়ক ঘুরে কানাডিয়ান হাইকমিশন পর্যন্ত লম্বা লাইন দেখা গেছে। সোমবার দুপুরে অঝোর বৃষ্টির মধ্যেও হাজার হাজার নারী-পুরুষকে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। একই অবস্থা ছিল মঙ্গলবারও।
গামকা কার্যালয় সূত্র জানায়, তারা প্রতিদিন ৪ হাজার থেকে সাড়ে ৪ হাজার নারী-পুরুষকে মেডিকেল চেকআপ স্লিপ দেন। গড়ে প্রতি মাসে এ সংখ্যা দাঁড়ায় ৬০ থেকে ৭০ হাজার, আর বছরে দাঁড়ায় ৮ থেকে সাড়ে ৮ লাখ।
এই বিপুলসংখ্যক শ্রমিক গামকা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নানাভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে গামকার জেনারেল ম্যানেজার মো. লাহুয়ার রহমান যুগান্তরকে বলেন, প্রতিদিন ৪ থেকে ৫ হাজার শ্রমিক মেডিকেল স্লিপের জন্য আসে। যার প্রায় ৭০ ভাগ সৌদি আরব যেতে ইচ্ছুক। সৌদিতে শ্রমবাজার উন্মুক্ত হওয়ায় হঠাৎ এ অবস্থা তৈরি হয়েছে। তিনি জানান, পরিস্থিতি সামাল দিতে তারা কয়েকদিনের মধ্যে ভাটারায় মাদানী এভিনিউতে নতুন একটি অফিস খুলছেন। সেখানে ৩০টি কাউন্টারের মাধ্যমে সৌদি আরবে যেতে ইচ্ছুকদের দ্রুত সেবা দেয়া হবে। তখন এই অচলাবস্থা কেটে যাবে।
হয়রানি, প্রতারণা ও অনিয়ম সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, হাজার হাজার মানুষকে সেবা দিতে গিয়ে কিছু অনিয়মের অভিযোগ আসে। লাইনে দাঁড়িয়ে যদি কেউ দালাল বা প্রতারকের খপ্পরে পড়ে সে জন্য আমরা (গামকা) দায়ী নই। কারণ লাইন অনেক লম্বা হয়ে কানাডিয়ান হাইকমিশন পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। এত লোকজনকে নজরে রাখা গামকার কর্মীদের পক্ষে সম্ভব হয় না।
মঙ্গলবার লাইনে দাঁড়ানো অবস্থায় কথা হয় মানিকগঞ্জ থেকে আসা রোকসানার সঙ্গে। তিনি জানান, সৌদি আরব যাবেন গৃহকর্মীর ভিসায়। বিজয়নগরের একটি রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে তিন লাখ টাকা জমা দিয়েছেন। সেখান থেকে ফোন পেয়ে রোববার ওই রিক্রুটিং এজেন্সিতে গেলে পাসপোর্ট ও ভিসার কপি দিয়ে গামকা অফিসে যেতে বলা হয়। সোমবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে নাম এন্ট্রি করতে পারেননি। এরপর আবার মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টায় গিয়ে লাইনে দাঁড়ান। বেলা ২টা পর্যন্ত তিনি বই জমা দেয়ার সুযোগ পাননি।
গামকার তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর হচ্ছে- আল-ফালাহ মেডিকম ক্লিনিক (বনানী), আলগোফ্লাই মেডিকেল সেন্টার (বনানী), আল-হুমায়রা হেলথ কেয়ার (বনানী), আল-মদিনা মেডিকেল সার্ভিস (বনানী), আল-রিয়াদ মেডিকেল চেকআপ (বনানী), অ্যারাবিয়ান মেডিকেল সেন্টার (বনানী), চাঁদশী মেডিকেল সেন্টার (বনানী), ফেয়ার ওয়েজ মেডিকেল সেন্টার (গুলশান-১), গ্রীন ক্রিসেন্ট হেলথ সার্ভিস (বারিধারা), গালফ মেডিকেল সেন্টার (বনানী), গুলশান মেডিকেয়ার (গুলশান সাউথ এভিনিউ), হেলথ কেয়ার সেন্টার (পশ্চিম পান্থপথ), ইবনে সিনা মেডিকেল চেকআপ ইউনিট (উত্তর বাড্ডা), আইআইআরও মেডিকেল সেন্টার (উত্তরা), ইন্টারন্যাশনাল হেলথ কেয়ার লি. (বনানী), লাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টার (নয়াপল্টন), মক্কা মেডিকেল সেন্টার (বনানী), মেডিনোভা মেডিকেল সার্ভিস লি. (ধানমণ্ডি), মাসকাট মেডিকেল সেন্টার (বনানী), নাফা মেডিকেল সার্ভিস (বনানী), ন্যাশনাল মেডিকেল সেন্টার (বনানী), নোভা মেডিকেল সেন্টার (বনানী), পালস মেডিকেল সেন্টার (বনানী), পুষ্প ক্লিনিক (কাকলী), সাইমন মেডিকেল সেন্টার (বনানী) ও সৌদি-বাংলাদেশ সার্ভিস কোম্পানি (বনানী)। এর মধ্যে হাতেগোনা কয়েকটি বাদে বাকিগুলো নামসর্বস্ব।
সরেজমিন দেখা যায়, ভোর হওয়ার আগেই স্লিপ নিতে লাইনে দাঁড়ান লোকজন। বেলা বাড়ার সঙ্গে বাড়তে থাকে লাইনের দৈর্ঘ্য। ভিড় ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের রাস্তা, ফুটপাতেও। তাতেও পরিস্থিতি সামলানো যায় না। এ অবস্থায় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে অভিযোগ দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এ বিষয়ে সরেজমিন পরিদর্শন শেষে ১৫ দিনের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি সরিয়ে নেয়ার আলটিমেটাম দিয়েছেন ঢাকা উত্তরের মেয়র আনিসুল হক।
এদিকে ভুক্তভোগী শ্রমিকদের অভিযোগ- দালাল, নিরাপত্তা প্রহরী ও পুলিশ টাকার বিনিময়ে সিরিয়াল ছাড়াই লোক ভেতরে ঢোকায়। ফলে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও আমাদের বঞ্চনার শিকার হতে হয়। এ নিয়ে বাকবিতণ্ডা, হাতাহাতি লেগেই থাকে। মঙ্গলবার দুপুরেও দেখা যায়, গামকার নিরাপত্তা প্রহরীরা দুই যুবককে সিরিয়াল ছাড়া ঢুকতে দিয়েছে- এমন অভিযোগে হাতাহাতি লেগে যায়।
এছাড়া গামকা কার্যালয়ের সামনে রয়েছে অজ্ঞান পার্টি, প্রতারক ও দালালসহ বিভিন্ন ধরনের টাউট-বাটপার দলের দৌরাত্ম্য। চাঁদপুরের কচুয়া থেকে রোববার পাসপোর্ট ও ভিসা নিয়ে গামকা কার্যালয়ে আসেন ইউসুফ আলী। প্রতারণার শিকার ইউসুফ আলী যুগান্তরকে জানান, এক দালাল তাকে এক ঘণ্টার মধ্যে স্লিপ এনে দেয়ার কথা বলে ৫০০ টাকা চায়। তিনি ৩০০ টাকা দেন। দালাল তার (ইউসুফ) ভিসা ও পাসপোর্ট নিয়ে ভেতরে যাওয়ার পর থেকে আর খোঁজ নেই।
রাজধানীর বিজয়নগরের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি রিক্রুটিং এজেন্সির মালিক যুগান্তরকে বলেন, গামকা মূলত একটি প্রতারক সিন্ডিকেট। শ্রমিকদের জিম্মি করে অর্থ আদায় করাই তাদের কাজ। বিভিন্ন সময় শ্রমিকদের বলে- এই রোগ আছে, সেই রোগ আছে, মেডিকেল আনফিট। যখন কিছু ঘুষ দেয় তখন আবার সব ফিট। অথচ গামকা থেকে স্লিপ নেয়ারই প্রয়োজন নেই। মেডিকেল সেন্টারগুলোতে ছবি তুলে স্লিপ দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে চেকআপ করলে এবং কোয়ালিটি মেডিকেল সেন্টারের সংখ্যা বাড়ালে এত দুর্ভোগ হতো না।
প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা যুগান্তরের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, গামকা মূলত শ্রমিকদের হয়রানির একটি সিন্ডিকেট। তারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ও আইসিডিডিআরবির মতো প্রতিষ্ঠানের মেডিকেল রিপোর্টও গ্রহণ করে না। অথচ তাদের তালিকাভুক্ত মানহীন প্রতিষ্ঠানের রিপোর্ট নেয়।

সৌদি আরব থেকে অসংখ নারী শ্রমিক পেটে বাচ্চা নিয়ে দেশে ফিরছেন !! সৌদি আরব থেকে অসংখ নারী শ্রমিক পেটে বাচ্চা নিয়ে দেশে ফিরছেন !! সৌদি আরব থেকে অসংখ নারী শ্রমিক পেটে বাচ্চা নিয়ে দেশে ফিরছেন !! সৌদি আরব থেকে অসংখ নারী শ্রমিক পেটে বাচ্চা নিয়ে দেশে ফিরছেন !! সৌদি আরব থেকে অসংখ নারী শ্রমিক পেটে বাচ্চা নিয়ে দেশে ফিরছেন !! সৌদি আরব থেকে অসংখ নারী শ্রমিক পেটে বাচ্চা নিয়ে দেশে ফিরছেন !! সৌদি আরব থেকে অসংখ নারী শ্রমিক পেটে বাচ্চা নিয়ে দেশে ফিরছেন !! সৌদি আরব থেকে অসংখ নারী শ্রমিক পেটে বাচ্চা নিয়ে দেশে ফিরছেন !! সৌদি আরব থেকে অসংখ নারী শ্রমিক পেটে বাচ্চা নিয়ে দেশে ফিরছেন !! 

সৌদি আরব থেকে অসংখ নারী শ্রমিক পেটে বাচ্চা নিয়ে দেশে ফিরছেন !! সৌদি আরব থেকে অসংখ নারী শ্রমিক পেটে বাচ্চা নিয়ে দেশে ফিরছেন !! সৌদি আরব থেকে অসংখ নারী শ্রমিক পেটে বাচ্চা নিয়ে দেশে ফিরছেন !! সৌদি আরব থেকে অসংখ নারী শ্রমিক পেটে বাচ্চা নিয়ে দেশে ফিরছেন !! সৌদি আরব থেকে অসংখ নারী শ্রমিক পেটে বাচ্চা নিয়ে দেশে ফিরছেন !! সৌদি আরব থেকে অসংখ নারী শ্রমিক পেটে বাচ্চা নিয়ে দেশে ফিরছেন !! সৌদি আরব থেকে অসংখ নারী শ্রমিক পেটে বাচ্চা নিয়ে দেশে ফিরছেন !! সৌদি আরব থেকে অসংখ নারী শ্রমিক পেটে বাচ্চা নিয়ে দেশে ফিরছেন !! সৌদি আরব থেকে অসংখ নারী শ্রমিক পেটে বাচ্চা নিয়ে দেশে ফিরছেন !! সৌদি আরব থেকে অসংখ নারী শ্রমিক পেটে বাচ্চা নিয়ে দেশে ফিরছেন !! সৌদি আরব থেকে অসংখ নারী শ্রমিক পেটে বাচ্চা নিয়ে দেশে ফিরছেন !! সৌদি আরব থেকে অসংখ নারী শ্রমিক পেটে বাচ্চা নিয়ে দেশে ফিরছেন 

আমরা যারা বাহিরে খাই সাবধান, দেখুন প্রতিদিন আমরা কি খাই (ভিডিও সহ)


খাচ্ছি তো প্রতিদিনই; পেট ভরছে, চাঙ্গা হচ্ছে শরীর। কিন্তু আমরা একবারও কী ভাবি- যা খাচ্ছি, তাপ পুষ্টি মেটাতে পারছে কি-না? খাবারগুলো সুষম কি-না? এ দেশে খাদ্য উৎপাদন ও সরবরাহ পর্যাপ্ত হলেও, পুষ্টি ঘাটতি রয়েই যায়। পাশাপাশি, নকল-ভেজাল আর মেয়াদ শেষ হওয়া খাবারের ভয়তো আছেই। এতকিছুর পরও ভালো খাবার খাওয়া, আর সুস্থ থাকা সম্ভব।

ডি জে পার্টিতে আল্লাহর গজব !! (দেখুন ভিডিও সহ)

বিয়ের আসরে নাচতে এসেছিল একটি দল। তাদের মধ্যেই ছিলেন গর্ভবতী একজন। তার নাচ দেখে ভালো লেগে যায় মাতাল এক যুবকের। ওই নারীকে আহ্বান জানান তার সঙ্গে নাচতে। কিন্তু সাড়া না দেয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে সবার সামনেই গুলি চালায় যুবক। গুলিটি লাগে গর্ভবতী নারীর পেটে, সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের পঞ্জাবের ভাতিন্ডায়। নিহতের নাম কুলবিন্দার।

সমস্ত ঘটনাটাই ধরা পড়েছে সিসিটিভি’র ফুটেজে। ঘাতক যুবকসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলাও দায়ের করা হয়েছে। জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপারসন ললিতা কুমারমঙ্গলম ওই যুবককে কঠোর শাস্তি দেয়ার দাবি জানিয়েছেন।

খেলা শেষে তাবলিগে আফ্রিদি (ভিডিও সহ )

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) খেলতে পাকিস্তানের অলরাউন্ডার শহীদ আফ্রিদি এখন ঢাকায়। এবারের আসরে তিনি রংপুর রাইডার্সের হয়ে খেলছিলেন। বিপিএলের শেষ চারে ঠাঁই না হওয়ায় এবার তার দেশে ফেরার পালা।

তবে হাতে কিছু সময় থাকায় ঢাকায় পাকিস্তানের তাবলিগ জামাতে যোগ দেন তিনি। সেখানে তাবলিগের মুরব্বীদের সঙ্গে রাতের খাবার খান ও বয়ান শুনেন।
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) শুরু থেকেই আফ্রিদিকে দলে পায় রংপুর রাইডার্স। ঢাকা পর্বে ব্যাট হাতে ভক্তদের প্রত্যাশা খুব একটা পূরণ করতে না পারলেও বোলিংয়ে পুষিয়ে দেন তিনি। পাকিস্তানের সাবেক টি-২০ ও ওয়ানডে অধিনায়কের এমন পারফরম্যান্সের ওপর ভর করেই চট্টগ্রাম পর্ব শেষে পয়েন্ট তালিকায় শীর্ষে ওঠে রংপুর।
এরপর নিজের নামে স্টেডিয়াম উদ্বোধন করতেই পাকিস্তান উড়ে যান বুমবুম খ্যাত এ তারকা। দেশে চলে যাওয়ায় তাকে ছাড়া ফের শুরু হওয়া ঢাকা পর্বে তিনটি ম্যাচ খেলে নাঈমরা। অাফ্রিদিবিহীন প্রথম ম্যাচটিই হেরে যায় রংপুর। পরের দু’টিতেও খুব একটা ভালো করতে পারেনি।

পরে ঢাকায় ফিরে যোগ দিলেও দলের ভাগ্য পাল্টেনি। একের পর এক হারের মধ্যে থেকেছে রংপুর। ফলে বিপিএলের শেষ আটে উঠতে পারেনি রংপুর রাইডার্স।

নারী কেলেঙ্কারির বিষয়ে মুখ খুললেন সাব্বির (ভিডিও সহ বিস্তারিত)

কিছুটা দেরিই হয়েছে। তবে এবার সেই কেলেঙ্কারির ঘটনায় নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করলেন সাব্বির। মাঠের বাইরে শৃংখলা ভঙ্গের অভিযোগে রাজশাহী কিংসের সাব্বির রহমানের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) পারিশ্রমিকের এক-তৃতীয়াংশ কেটে নেওয়া হয়েছে। সাব্বির রহমানের পারিশ্রমিক ৪০ লাখ টাকা। এর অর্থ হল, প্রায় ১৩ লাখ টাকা জরিমানার মুখে পড়তে হল তাকে।
কিছু কিছু গণমাধ্যমের অভিযোগ, নারী ঘটিত সমস্যায় জড়িয়ে এই জরিমানার মুখে পড়তে হয়েছে তাকে। একই কারণেই বরিশাল বুলসের পেসার আল আমিন হোসেনের পারিশ্রমিকের অর্ধেক কেটে নেওয়া হয়েছে। দেরিতে হলেও সেই ঘটনায় নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করলেন সাব্বির।

ভিডিওবার্তায় সাব্বিরের পুরেো বক্তব্য পাঠকেদের জন্য হুবহু দেওয়া হল…
সবাই নিশ্চয়ই ভাল আছেন। আমি আমার কিছু ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে আপনাদের সাথে আলাপ করতে চাই। এজন্য আমি ভিডিওতে আসলাম। কিছুদিন ধরে মিডিয়া বা ফেসবুকে আমার কিছু পার্সোনাল প্রবলেমের কথা শুনেছেন। আপনাদের কি বিশ্বাস হয় আমি এই কাজটা করেছি?
দেখুন, মেয়ে কিংবা ছেলে, ছোট কিংবা বৃদ্ধ – সবাই আমার ফ্যান। একজন খেলোয়াড় হিসেবে আমি তো কখনওই কাউকে ছবি তুলতে বারণ করতে পারবো না। আমি শপিং মলে যায়, রেস্টুরেস্টে খেতে যাই, সিনেমা হলে যাই।
এমন সময়ে কোনো মেয়ে যদি এসে আমার সাথে ছবি তুলতে চায় তাহলে কি আমি তাকে না বলতে পারবো? কখনওই পারবো না। সিঙ্গেল ছবি তোলে, ফেসবুকে দেয়। এখন ছবিটা যদি কেউ ফেসবুকে দেয় সেটা কি আমার দোষ? কখনওই আমার দোষ না!

আপনারা যদি মনে হয় কাজগুলো আমি করেছি, তাহলে আমার কিছু বলার নাই আসলে। আর যদি মনে করেন আমি এই কাজটি করিনি, তাহলে প্লিজ এই ভিডিওটি সবার মাঝে ছড়িয়ে দিন; সবাই বুঝুক আমি এই কাজটা কখনওই করতে পারি না। আমার মনে হয় না আমি এই কাজ করেছি।

যেখানে ট্রেনের যাত্রীরা শুধু ভয়েই প্রাণ হরায় (ভিডিও)

বিশ্বের সবচেয়ে ভয়াবহ রেল সেতু, প্রতি বছরে অনেক যাত্রী শুধু ভয়েই প্রাণ হরায় 


কিভাবে ব্রেনওয়াশ করে জঙ্গি বানানো হয় দেখুন (ভিডিও সহ) !!

মোটিভেশন আর ব্রেনওয়াশিং দুটো আলাদা বিষয়….. মোটিভেশনের জন্য নিজের ইচ্ছে থাকতে হয়….এরপর সেই ইচ্ছাকে অনুপ্রাণিত করাই হল মোটিভেশন। কোন কিছু করতে আগ্রহী, কিন্তু করার সাহস বা শক্তি নেই এমন ব্যক্তিদের জন্য মোটিভেশন জিনিসটি ভাল কাজ করে।

কিন্তু ব্রেনওয়াশিং করা হয় নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে। অনাগ্রহী ব্যক্তিকেও আগ্রহী করে তোলা হল ব্রেনওয়াশিং এর মূল উদ্দেশ্য। ব্রেনওয়াশিং টার্মটি প্রথম আসে কোরিয়া যুদ্ধের পর। যুদ্ধের সময় আমেরিকান কিছু সৈন্যকে চীনারা বন্দি করে। যুদ্ধের পর তাদের ছেড়ে দিলে দেখা যায়, অনেক আমেরিকান সৈন্যেই চীনের কম্যুনিস্টপন্থী হয়ে গেছে। কারাগারেই তাদের ব্রেইনওয়াস করে চীনের কম্যুনিজম ঢুকে দেওয়া হয়েছে।

ব্রেনওয়াশিং করার আরো ‍কিছু স্টেপ আছে, তার মধ্যে একটি হল মানসিক ও শারীরিক টরচার……এটি করা হয় যাতে একজন মানুষ মানসিক ও শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পরে এবং যে ব্রেনওয়াশ করছে, তার উপর নির্ভরশীল হয়ে যায়।

মনের ভিতর কনফিউশন তৈরী করার জন্য কখনো কখনো একই কাজ করলে পুরস্কার দেওয়া হয়, আবার কখনো সেই কজেই শাস্তি দেওয়া হয়। ফলে তার মনে কনফিউশন তৈরী হয়ে যায় কোনটি সঠিক, কোনটি ভুল….. এতে সে সহজেই অন্যের নিয়ন্ত্রনাধীন হয়ে পরে।

ভালবাসা ও সাপোর্ট ব্রেনওয়াশিং এর আরেকটি পার্ট……এর ফলে যাকে ব্রেনওয়াশ করা হবে, পথমে তার বিশ্বাস অর্জন করা হয়, এরপর মনের ভেতর জায়গা করে নেওয়া হয়। টিম স্পিরিট তৈরী করার জন্য ও টিমের অন্যান্য মেম্বারদের মাঝে সস্পর্ক তৈরীর জন্য একটি ড্রেস কোড মেনে চলা হয়। ব্রেনওয়াশ চলাকালীন সময়ে সকলকে একই ধরনের ড্রেস পড়ানো হয়, যাতে স্বকীয়তা চলে গিয়ে দলীয় মনোভাব জেগে ওঠে।

ব্রেনওয়াশিং এর আরেকটি স্টেপের ভেতর পরে মনের ভেতর অপরাধবোধ জেগে তোলা…… সমাজে তার একরকম দায়িত্ব কিন্তু পালন করে আসছে আরেকরকম দায়িত্ব- এর ফলে এতদিন যে ভুল বা পাপ করেছে, সেই বিষয়ে তাকে অনুতপ্ত করে তোলা।

এর পরের স্টেপ হল ভয় দেখানো…. তার ভুল বা পাপের ফলে তার কি কর্মফল হতে পারে, সে বিষয়ে ভয় দেখানো হয়। ফলে সে তখন অপরাধবোধ থেকে মুক্তির জন্য সবকিছু করতে রাজি হয়….. এমনকি নিজের জীবন বিসর্জন দিতেও!

রেলপথে মৃত্যুর বড় কারণ কানে মুঠোফোন (ভিডিও)


নারায়ণগঞ্জ থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত রেলওয়ের একটি থানা এলাকায় চলতি বছরের ৯ মাসে ২৩০টি লাশ উদ্ধার হয়েছে। এদের মধ্যে ১০৬ জন মারা যায় মুঠোফোনে কথা বলতে বলতে রেলপথ পার হওয়ার সময়। সারা দেশে রেলওয়ের থানা ২৪টি। এ তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা রেলওয়ে থানার সদ্যবিদায়ী ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মজিদ।
রেলওয়ে পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মো. শামসুদ্দিনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত নয় মাসে সারা দেশে রেলপথ থেকে ৭২৯টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। অসতকর্তা, হত্যা ও আত্মহত্যার পাশাপাশি মুঠোফোনে কথা বলতে বলতে রেলপথ পার হওয়া এসব মৃত্যুর বড় কারণ। তবে ২৪ থানা এলাকায় শুধু মুঠোফোনের কারণে মোট মৃত্যু কত, তা জানা যায়নি।

বর্তমানে ভৈরব থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত ওসি আবদুল মজিদ বলেন, নারায়ণগঞ্জ থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত ১৪২ কিলোমিটার পথে গত সেপ্টেম্বরে এক মাসেই ট্রেন দুর্ঘটনায় ২৮ জন নিহত হয়েছে। এদের মধ্যে ২৫ জনেরই মৃত্যু হয়েছে মুঠোফোনে কথা বলতে বলতে রেলপথ পার হওয়ার সময়। আর নয় মাসে লাশ উদ্ধার হয়েছে ২৩০টি। এদের মধ্যে পাঁচজনকে হত্যার পর রেলপথে ফেলে যাওয়া হয়েছিল। অন্যদের মৃত্যু হয়েছে অসতর্কতা, আত্মহত্যাসহ বিভিন্ন কারণে।
গত ১৭ মে দুপুরে রাজধানীর পূর্ব নাখালপাড়া থেকে পশ্চিম নাখালপাড়ায় যাচ্ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির ছাত্র ওবায়দুল্লাহ। তাঁর কানে মুঠোফোন ও হাতে আইসক্রিম ছিল। ট্রেন কাছাকাছি চলে এলে আশপাশের লোকজন চিৎকার করে তাঁকে সরে যেতে বলে। কিন্তু তিনি কথায় এতটাই মগ্ন ছিলেন যে কিছুই শুনতে পাননি। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই তিনি ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যান। এ কথা বলছিলেন ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মোবারক হোসেন।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, কানে মুঠোফোন থাকায় অনেক সময় দ্রুতগতির ট্রেনের শব্দ শোনা যায় না। তাই মুহূর্তেই ট্রেনে কাটা পড়ে চিরতরে শেষ হয়ে যাচ্ছে অনেকে। রেলওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সচেতনতার অভাবে দিনে দিনে এ ঘটনা বাড়ছে। নাখালপাড়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত ওবায়দুল্লাহর বাবা ভ্যানচালক রফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘মাত্র তিন হাজার টাকা হাতে দিয়ে তাকে ঢাকায় পাঠিয়েছিলাম। ঘটনার আগের দিনও ফোনে আমার সঙ্গে কথা হয়। সেদিনও বলেছিলাম, ঢাকায় গাড়ির চাপ, সাবধানে থাকবা; রাস্তায় ফোনে কথা বলবা না। কিন্তু পরদিনই ফোনে কথা বলতে গিয়ে ট্রেনে কাটা পড়ল আমার ছেলে।’

গত ২৭ সেপ্টেম্বর কানে মুঠোফোন ধরে মালিবাগ রেলগেট পার হচ্ছিলেন আইনজীবী সালাহ উদ্দিন ফটিক (৫২)। কিন্তু তিনি রেললাইন পার হওয়ার আগেই চলে আসে ট্রেন। ট্রেনে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। ঢাকা রেলওয়ে থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) জাহিদুল ইসলাম বলেন, রেলগেটে থাকা রেলকর্মীরা প্রতিবন্ধক বারও নামিয়ে দিয়েছিলেন। তারপরও তিনি রেললাইন পার হতে যান। কানে মুঠোফোন থাকায় তিনি ট্রেনের শব্দ শুনতে পাননি।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর গণসংবর্ধনায় অংশ নিতে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থেকে ঢাকায় আসেন ছাত্রলীগের নেতা ইসমাইল হোসেন (২৮)। সন্ধ্যার দিকে তিনি খিলক্ষেত রেলক্রসিং এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যান। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, তিনি মুঠোফোনে কথা বলতে বলতে রেললাইন ধরে হাঁটার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মুঠোফোনে কথা বলতে গিয়ে এভাবে তাজা প্রাণ ঝরে যাওয়াকে দুঃখজনক বলছেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক জিল্লুর রহমান খান। তিনি বলেন, মানুষ পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে একসঙ্গে দুটি কাজ করতে পারে না। তাই ফোনে কথা বলার সময় তার অন্য কিছু খেয়াল থাকে না। আবার তরুণদের অনেকেরই মুঠোফোনে আসক্তি রয়েছে। তাঁদের মধ্যে মুঠোফোনের ব্যবহার অপব্যবহারের পর্যায়ে চলে গেছে।
ঢাকা রেলওয়ে থানার তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীতে ট্রেনে কাটা পড়ে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটে মহাখালী রেলগেট ও খিলক্ষেত এলাকায়। এর কারণ, কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় রেললাইন বাঁকা। তাই দূর থেকে ট্রেন এলে দেখা যায় না। আবার বনানী থেকে কারওয়ান বাজার এলাকার রেললাইনের পাশে গড়ে উঠেছে বস্তি। এসব এলাকায় অবৈধ ক্রসিং দুর্ঘটনার কারণ।


গত ২৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে মহাখালী রেলগেট এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, রেলপথ ধরে হাঁটছে কয়েক শ মানুষ। রেলগেটের নিরাপত্তা বার ফেলার পরও দৌড়ে পার হচ্ছে অনেকেই, কেউ কেউ মোটরসাইকেল চালিয়েও যাচ্ছেন এপাশ থেকে ওপাশে। রেলগেটের উত্তর পাশে এর তিন দিন আগেই মারা গেছেন এক যুবক। যুবকের রক্তে ভিজে যাওয়া রেলপথটি বালু দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী রাশেদ মোল্লা বলেন, নিহত যুবকের এক হাতে ল্যাপটপ ছিল, অন্য হাতে মুঠোফোন নিয়ে তিনি কথা বলছিলেন।
রাশেদ মোল্লার সঙ্গে কথা বলার সময় তাঁর পাশেই রেললাইনে বসে ছিলেন জুবায়েদ হোসেন নামে এক যুবক। ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের এই ছাত্র বলেন, এক বন্ধুর জন্য তিনি অপেক্ষা করছেন। এতে ঝুঁকি আছে, বিষয়টি তিনি ভেবে দেখেননি।
মহাখালী রেলগেটের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনোয়ার হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, প্রায়ই এই এলাকায় ট্রেনের নিচে পড়ে মানুষ মারা যায়। দুর্ঘটনার মূল কারণ মুঠোফোন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘কথা বলতে বলতে মানুষ পার হয়, ডাকলেও শোনে না। অনেক সময় নিষেধ করলে খারাপ ব্যবহার করে।’
নির্ধারিত রেলক্রসিং ছাড়া রেললাইন ধরে হাঁটা ও বসা নিষিদ্ধ উল্লেখ করে ঢাকা রেলওয়ে থানার ওসি ইয়াসিন ফারুক বলেন, রেললাইনের দুই পাশে ১০ ফুট করে ২০ ফুটের মধ্যে সব সময় ১৪৪ ধারা জারি থাকে। এই সীমানার ভেতর কোনো ব্যক্তিকে পাওয়া গেলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা যাবে।

জানতে চাইলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় দুর্ঘটনা গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ট্রেনের ইঞ্জিনের শব্দ কম, দ্রুতগতিতে চলে এবং অল্প দূরত্বে থামতে পারে না। এ জন্য দুর্ঘটনা ঘটে। আর মুঠোফোনে ব্যস্ত থাকলে এ দুর্ঘটনার আশঙ্কা আরও বেড়ে যায়। অধ্যাপক মোয়াজ্জেম ট্রেনে কাটা পড়ার জন্য বিনোদনমাধ্যমকেও দায়ী করেন। অনেক নাটক, সিনেমায় দেখা যায় রেললাইনে মানুষ হাঁটে, গান গায়, বসে থাকে। এমন শুটিং থেকে বিরত থাকতে হবে। রেললাইন শুটিংয়ের জায়গা নয়। আর শুটিং করলেও প্রচারের সময় পর্দায় সতর্কতামূলক বাণী লিখে দিতে হবে। এ ধরনের দুর্ঘটনা কমাতে তাঁর সুপারিশ, জনবহুল জায়গায় লোহার বেড়া দিতে হবে। সম্ভব না হলে রেললাইনজুড়ে সতর্কতামূলক বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে। দুর্ঘটনা প্রতিরোধে আইনের কঠোর প্রয়োগ ও ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান তিনি।

Force 2 (2016) full Movie Free Download

Force 2 (2016) full Movie Free Download


Force 2 (2016) full Movie Download

Language: Hindi
File Format: mkv
File Size: 750mb
Quality: DVDscr

Free Download



অবহেলিত গাইবান্ধা শহরের আদিকথা


ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার ভেতরে গাইবান্ধা শহর। নাম হয়েছে ‘পকেট শহর’। কোনো উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। জেলায় মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের চিনিকলটি (রংপুর চিনিকল) ছাড়া আর কোনো বড় শিল্পকারখানা নেই। সেটিও আবার প্রতিবছর লোকসান গোনে। আর আছে গোটা দুই হিমাগার ও কয়েকটি অটো চালকল।

গত কয়েক দিন শহরের শিল্পোদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী, রাজনীতিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নিজেদের শহর নিয়ে গভীর আক্ষেপ ও মনঃকষ্ট রয়েছে তাঁদের। জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি মিহির ঘোষ বলেন, বাইরে কোথাও থেকে ফিরে গাইবান্ধা শহরে ঢুকেই মনটা খারাপ হয়ে যায়। কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, গাইবান্ধা মহকুমা হয় ১৮৫৮ সালে। এর ১২৬ বছর পর জেলা হয়েছে ১৯৮৪ সালে। গাইবান্ধার সঙ্গে একই বছর আরও অনেক মহকুমা জেলা হয়েছে। অথচ অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো, নাগরিক সুযোগ-সুবিধা—সবদিক থেকে সেসব জেলা গাইবান্ধার থেকে অনেক এগিয়ে গেছে। গাইবান্ধার কোনো উন্নয়ন হয়নি। যেমন এখন প্রায় ৮০ শতাংশ জেলা শহরে আগের ১০০ শয্যার হাসপাতাল ২৫০ শয্যায় উন্নীত হয়েছে। গাইবান্ধার হাসপাতাল সেই ১০০ শয্যারই আছে। অনেক জেলায় মেডিকেল কলেজ হয়েছে; হয়েছে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, কৃষিসহ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়। গাইবান্ধায় এসব কিছুই হয়নি।
যোগাযোগব্যবস্থাই গাইবান্ধার এই পিছিয়ে থাকার প্রধান কারণ বলে মনে করেন জেলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি শাহজাদা আনোয়ারুল কাদির। তিনি বলেন, গাইবান্ধা কিন্তু একটা সময় খুব জমজমাট ব্যবসার এলাকা ছিল। নদী ছিল প্রধান যোগাযোগমাধ্যম। গত শতকের ষাটের দশকের শুরুতে ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক তৈরি হলে নদীপথের গুরুত্ব কমতে থাকে। গাইবান্ধা পড়ে গেল মহাসড়ক থেকে অনেক দূরে, প্রায় বিচ্ছিন্ন এক অবস্থানে। ওদিকে স্বাধীনতার পর থেকে ট্রেনের ব্যবস্থাও খারাপ হতে থাকে। অনেক ট্রেন বন্ধ হয়ে যায়। এ অবস্থা থেকে গাইবান্ধা আর বের হতে পারছে না।
গাইবান্ধা শহরের লেনদেন, বেচাকেনা যা কিছু সব নিজেদের লোকজনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। সালিমার মার্কেট দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাপ্পা সাহা বলেন, গাইবান্ধা ছোট শহর। মূলত ডিবি রোড ও স্টেশন রোডকেন্দ্রিক দোকানপাট নিয়েই এ শহরের ব্যবসা-বাণিজ্য। সাধারণত দেখা যায়, জেলা শহরেই বড় হোলসেলের দোকানগুলো থাকে। সেখান থেকে উপজেলার খুচরা বিক্রেতারা মালামাল কিনে নিয়ে যান। গাইবান্ধায় ঠিক এর উল্টো। মূলত গোবিন্দগঞ্জ ও পলাশবাড়ীতে গড়ে উঠেছে বড় ব্যবসাগুলো। সেখান থেকে গাইবান্ধা শহরের খুচরা বিক্রেতারা মালামাল নিয়ে আসছেন। বেসরকারি ব্যাংক, বড় বড় প্রতিষ্ঠানের বিক্রয়কেন্দ্র, হোলসেলের দোকান—সবই মহাসড়কসংলগ্ন ওই উপজেলাগুলোতে।
গাইবান্ধা কৃষিপণ্যনির্ভর। বিশেষত ধানের উদ্বৃত্ত জেলা। বছরে ১৫ থেকে ২০ লাখ টন ধান এখান থেকে বাইরে যায়। ইদানীং প্রচুর ভুট্টা ও কলার চাষ হচ্ছে। ডিবি রোডের নবারুণ বাণিজ্য সংস্থার মালিক দেওয়ান মশিউর রহমান বলছিলেন, জেলার অন্য উপজেলার তুলনায় ঢাকা থেকে গাইবান্ধায় এক ট্রাক মাল আনতে বা পাঠাতে অন্তত তিন থেকে চার হাজার টাকা বেশি খরচ হয়। ফলে এখানে দামও পড়ে বেশি।
গাইবান্ধায় ছোটখাটো কিছু শিল্প ও কুটিরশিল্প যা-ও আছে, সেখানে পুঁজির সংকট তীব্র। শিক্ষক বিরতি রঞ্জন সরকার বলছিলেন, শহরে ব্যাংক থেকে ঋণ পাওয়া ঝক্কির। এই সুযোগে সুদের কারবার খুব জমে উঠেছে। বিশেষ করে ব্যক্তিপর্যায়ে সুদের ব্যবসা খুবই জমজমাট। ফলে সুদের সহজ ব্যবসা বাদ দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে কেউ কলকারখানা বা অন্য কোনো বিনিয়োগে যান না।
তাহলে এ অবস্থা থেকে বের হয়ে আসার উপায় কী? সবাই এক কথায় বলেন, নতুন কয়েকটি সড়ক ও সেতুর কথা। ব্রহ্মপুত্র নদে বালাসি, বাহাদুরাবাদ সেতু নির্মাণ জেলাবাসীর প্রাণের দাবি। এ ছাড়া রংপুর থেকে পীরগাছা, গাইবান্ধা হয়ে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত একটি মহাসড়ক নির্মাণ করা দরকার। গাইবান্ধা থেকে সাদুল্লাপুর, বড় দরগা হয়ে রংপুর পর্যন্ত যে সরু সড়কটি আছে, সেটি প্রশস্ত করে আঞ্চলিক মহাসড়কে পরিণত করা। এর পাশাপাশি সিরাজগঞ্জ থেকে বগুড়া পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ করা হলে গাইবান্ধার সঙ্গে বিকল্প যোগাযোগব্যবস্থা তৈরি হবে। পকেট শহরের দুর্নাম ঘুচবে।
যোগাযোগব্যবস্থার পাশাপাশি সদর হাসপাতালটি ২৫০ শয্যায় উন্নীত করা, কৃষি ইনস্টিটিউটকে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় করা, পরিত্যক্ত ঘাঘট নদকে বিনোদনকেন্দ্রে পরিণত করা, আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসংবলিত একটি মিলনায়তন তৈরি করা জেলাবাসীর বহুদিনের দাবি। কিন্তু তা কবে হবে সেই প্রতীক্ষায় দিন গুনছেন গাইবান্ধাবাসী।

রাজশাহী কিংস'র কনসার্টে গান গাইলেন জুনায়েদ আহমেদ পলক (ভিডিও সহ)

নিজের ইউটিউব চ্যানেলে প্রখ্যাত গীতিকার, সুরকার বাপ্পী লাহিড়ীর গাওয়া “মঙ্গল দ্বীপ জ্বেলে” গানটি গেয়ে আপলোড করেছেন বর্তমান তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। শনিবার বেলা তিনটার সময় এককালের বিখ্যাত এই গানটি আপলোড করেন তিনি।

বরাবরের মতো এবারের গাওয়া গানটিতেও প্রকাশ পেয়েছে তাঁর সঙ্গীত প্রতিভার অনন্য নিদর্শন।
ইতোপুর্বে  বিটিভি ওয়ার্ল্ডের একটি লাইভ অনুষ্ঠানে ডিফ্রেন্ট টাচ ব্যান্ডের “শ্রাবণের মেঘ গুলো” গানটি গেয়ে দর্শকদের হৃদয় জয় করেছিলেন। গানটি ২০১১ সালের ১২ নভেম্বরে নিজে ব্যক্তিগত ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করেন।

১৯৮০ সালের ১৭ মে বাংলাদেশের নাটোর জেলার সিংডা উপজেলার সেরকোল তেলিগ্রাম এ জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার বাবার নাম ফয়েজ উদ্দিন এবং মায়ের নাম জামিলা আহমেদ। তিনি ১৯৯৫ সালে সিংড়া দমদমা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও ১৯৯৭ সালে রাজশাহী ওল্ড ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন। পরবর্তীতে ঢাকা কলেজ হতে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এম,এস,এস এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিনে এল,এল,বি শেষ করে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টে আইন পেশায় নিয়োজিত হন। তাঁর স্ত্রীর নাম আরিফা জেসমিন (কনিকা)। এ দম্পতির তিন সন্তান। তারা হলো অপূর্ণ জুনাইদ, অর্জুন জুনাইদ এবং অনির্বান জুনাইদ।

মিয়ানমারে মুসলিম নির্যাতনের আরো একটি নির্মম ভিডিও


অভিযানের নামে আরাকানের মুসলিমদের উপর মিয়ানমারে সরকারি তিনটি বাহিনী নির্মম নৃশংসতার খবর পাওয়া যাচ্ছে।
গত ৫ দিনে সংঘর্ষে মারা গেছে ৩৯ জন। বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে ৪০০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। জীবন বাঁচাতে ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাচ্ছেন রাখাইন রাজ্যের শত শত মুসলিম আরাকানি।
গত সপ্তাহের রোববার বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাটিতে পুলিশের ওপর হামলায় ঘটনার সূত্রপাত।
এরপর থেকে শুরু হয় পুলিশ, সেনাবাহিনী ও মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ত্রিমুখী হামলা। বুধবারও মারা গেছে ১০ গ্রামবাসী। সরকারি বাহিনী জ্বালিয়ে দিয়েছে কমপক্ষে ২৫ টি বাড়ি। জারি করা হয়েছে রাত্রিকালিন কারফিউ।
কিছুদিন আগে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে একটি উদ্যোগ নিয়েছিলো মিয়ানমারের নতুন সরকার। কিন্তু নতুন করে শুরু হওয়া এই সহিংসতা ওই ‍উদ্যোগকে বাধাগ্রস্ত করবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
জাতিসংঘের ভাষায়, রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের মানুষজন বিশ্বের সবচাইতে নির্যাতিত জনগোষ্ঠীর একটি। যারা পৃথিবীর কোনো দেশের নাগরিক নয়।
গত কয়েক শতাব্দী ধরে মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে রোহিঙ্গাদের বাস। দেশটি রোহিঙ্গাদের তার নাগরিক মনে করে না। বরং মিয়ানমার মনে করে তাদের আদি আবাস বাংলাদেশ। এমনকি রোহিঙ্গা শব্দটি ব্যবহারেও দেশটির সরকারের আপত্তি রয়েছে।
রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে বৌদ্ধদের হাতে নির্যাতনের শিকার বলে অভিযোগ রয়েছে।
বিভিন্ন সময়ে সহিংসতার মুখে পালিয়ে সীমান্ত পার হয়ে তাদের অনেকেই বাংলাদেশেও প্রবেশ করেছে।
বাংলাদেশে কক্সবাজার এলাকাতেই তাদের একটা বড় অংশ বাস করেন। এছাড়া চট্টগ্রাম, বান্দরবান, খাগড়াছড়িতেও কিছু রোহিঙ্গা বসবাস করছেন। সরকারের রেজিস্টার্ড ক্যাম্পগুলোতে ৩৩ হাজারের মতো রোহিঙ্গা বাস করে।
কিন্তু বলা হয় বাংলাদেশে তাদের মোট সংখ্যা পাঁচ লাখের মতো।

বিপিএলে প্রতি ম্যাচে মিলারের মূল্য কত লাখ টাকা জানেন?

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ বিপিএলে রংপুর রাইডার্সের হয়ে খেলবেন দক্ষিণ আফ্রিকার বিধ্বংসী ব্যাটসম্যান ডেভিড মিলার এবং অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অলরাউন্ডার শেন ওয়াটসন।
তবে এই দুই ক্রিকেটারের জন্য বিশাল অংকের টাকা ব্যয় করতে হবে রংপুরকে।

ঢাকা পর্বের শেষ ৬ ম্যাচে রংপুরের হয়ে খেলার কথা রয়েছে মিলার এবং ওয়াটসনের। প্রতি ম্যাচে মিলারকে ২৫ হাজার ডলার দিতে হবে। আর ওয়াটসনকে দিতে হবে মিলারের চেয়েও বেশি টাকা।
রংপুর রাইডার্সের চেয়ারম্যান ড. এরতেজা হাসান বিষয়টি জানিয়েছেন।
এরতেজা জানান, মিলারকে দিতে হবে ম্যাচ প্রতি প্রায় ২০ লাখ টাকা আর ওয়াটসনের জন্য আরও বেশি টাকা ব্যয় করতে হবে।
রংপুর রাইডার্স বর্তমানে পয়েন্ট তালিকায় দ্বিতীয়স্থানে রয়েছে। দলটিতে খেলছেন মোহাম্মদ শেহজাদ ও শহীদ আফ্রিদির মতো বিধ্বংসী ব্যাটসম্যানরা।
তবে দলের আইকন ক্রিকেটার সৌম্য সরকার একেবারেই ফর্মে নেই। দলটিতে বল হাতে আলো ছড়াচ্ছেন স্পিনার সোহাগ গাজী।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মুসলিম হিসেবে রোহিঙ্গা মুসলমানদের পাশে দাঁড়ান (ভিডিও সহ)


বার্মায় রোহিঙ্গা মুসলমানদের উপর চলছে ইতিহাসের সবচেয়ে নির্মম হত্যাকাণ্ড। বার্মায় চলছে মুসলিম গণহত্যার উৎসব। গত কয়েকদিনে ক্ষমতাসীন বৌদ্ধ সরকার আকাশে হেলিকপ্টার গানশীপ ও সমতলে সামরিক সাঁজোয়া যান ব্যবহার করে গন হারে রোহিঙ্গা মুসলিমদের হত্যা করছে l


বনে-জঙ্গলে, জমিতে, রাস্তায় মুসলমানদের লাশ পড়ে আছে l নাফ নদীর ওপারে ভাঁসছে শত শত অভাগা মুসলিম নারী, পুরুষ ও শিশুদের দেহ। এ শ্রেফ গণহত্যা l

রোহিঙ্গাদের একটাই অপরাধ এরা মুসলিম তাই এদের উপর চলছে ইতিহাসের সবচেয়ে নির্মম নির্যাতন। রামদা দিয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশ গরুর হাড়ের মতো কুপিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হচ্ছে। মাথা বিহীন লাশের মিছিল চলছে বার্মায়। শিশুদের খণ্ড বিখন্ড লাশ দেখে আঁতকে উঠবে যে কেউ।

গতকাল আতঙ্কিত রোহিঙ্গা মুসলমানরা বাংলাদেশ সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে গেলে বিজিবি প্রায় শতাধিক রোহিঙ্গাকে আটক করে l এবং শত শত রোহিঙ্গাকে সীমান্তের ওপারে তাড়িয়ে দেয়l অথচ এই বিজিবিই প্রতিদিন ভারতের সীমান্ত দিয়ে চোরাচালান কারবারিতে জড়িত।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একজন মুসলিম হিসেবে নির্যাতিত রোহিঙ্গা মুসলমানদের পাশে দাঁড়ান

বার্মায় রোহিঙ্গা মুসলমানদের উপর চলছে ইতিহাসের সবচেয়ে নির্মম হত্যাকাণ্ড। বার্মায় চলছে মুসলিম গণহত্যার উৎসব।

গত কয়েকদিনে ক্ষমতাসীন বৌদ্ধ সরকার আকাশে হেলিকপ্টার গানশীপ ও সমতলে সামরিক সাঁজোয়া যান ব্যবহার করে গন হারে রোহিঙ্গা মুসলিমদের হত্যা করছে ।

বনে-জঙ্গলে, জমিতে, রাস্তায় মুসলমানদের লাশ পড়ে আছে। নাফ নদীর ওপারে ভাঁসছে শত শত অভাগা মুসলিম নারী, পুরুষ ও শিশুদের দেহ। এ শ্রেফ গণহত্যা ।

রোহিঙ্গাদের একটাই অপরাধ এরা মুসলিম তাই এদের উপর চলছে ইতিহাসের সবচেয়ে নির্মম নির্যাতন। রামদা দিয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশ গরুর হাড়ের মতো কুপিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হচ্ছে। মাথা বিহীন লাশের মিছিল চলছে বার্মায়। শিশুদের খণ্ড বিখন্ড লাশ দেখে আঁতকে উঠবে যে কেউ।

গতকাল আতঙ্কিত রোহিঙ্গা মুসলমানরা বাংলাদেশ সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে গেলে বিজিবি প্রায় শতাধিক রোহিঙ্গাকে আটক করে l এবং শত শত রোহিঙ্গাকে সীমান্তের ওপারে তাড়িয়ে দেয় l অথচ এই বিজিবিই প্রতিদিন ভারতের সীমান্ত দিয়ে চোরাচালান কারবারিতে জড়িত।

বাংলাদেশ ভারত সীমান্তে বাংলাদেশীদেরকে দিনের পর দিন গুলি খেয়ে কাঁটাতারে ঝুলে থাকতে হয় আর এই বিজিবিই লাশ গ্রহনের টেন্ডার নিয়ে হাসিমুখে সেলফি তুলে লাশ নিয়ে ঘরে ফেরে ।

মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী, আপনি নিজেকে একজন খাটি মুসলিম দাবী করেন, প্রতিদিন মধ্যরাতে উঠে তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করেন, কুরআন শরীফ পড়ে সকাল শুরু করেন, মাঝে মাঝে ওমরাহ্‌ পালন করেন, কাবা শরীফের নিরাপত্তায় সৌদিতে সেনা পাঠান, পাকিস্তানের সাথে ভারতের যুদ্ধে সেনা পাঠান অথচ পার্শ্ববর্তী দেশ মিয়ানমারের নিরীহ ও নির্যাতিত মুসলমানদেরকে জীবন বাঁচাতে সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করতে দিলেন না ।

আপনি একজন ক্ষমতাধর প্রধানমন্ত্রী, আপনার ক্ষমতার ধার আমরা জানি, দয়া করে আরেকটা ক্ষমতা দেখান, বার্মার এই নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ান । বার্মার সরকারের সাথে আলোচনা করুন, বার্মার সাম্প্রদায়িক সরকারকে হুঁশিয়ারি দিন ।
বিশ্বদরবারে বার্মা কতৃক এই ঘৃণ্য গণহত্যার বিচার দাবী করুন l মুসলিম বিশ্বকে সজাগ করুন l বার্মার সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত খুলে দিন কিছু সময়ের জন্যে যাতে করে নির্যাতিত রোহিঙ্গারা তাদের জীবন টা বাঁচাতে পারে ।


মুসলিম বিশ্বের একজন ক্ষমতাধর নেত্রী ও নিজে মুসলিম হিসেবে আপনি এই কাজটি করতেই পারেন।

একজন সাধারন মুসলিম হিসেবে একজন ক্ষমতাধর মুসলিম নেত্রীর কাছে আমার আকুল আবেদন অন্তত এবারের মতো নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ান ।

বাংলাদেশীদেরকে দিনের পর দিন গুলি খেয়ে কাঁটাতারে ঝুলে থাকতে হয় আর এই বিজিবিই লাশ গ্রহনের টেন্ডার নিয়ে হাসিমুখে সেলফি তুলে লাশ নিয়ে ঘরে ফেরে ।

মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী, আপনি নিজেকে একজন খাটি মুসলিম দাবী করেন, প্রতিদিন মধ্যরাতে উঠে তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করেন, কুরআন শরীফ পড়ে সকাল শুরু করেন, মাঝে মাঝে ওমরাহ্‌ পালন করেন, কাবা শরীফের নিরাপত্তায় সৌদিতে সেনা পাঠান, পাকিস্তানের সাথে ভারতের যুদ্ধে সেনা পাঠান অথচ পার্শ্ববর্তী দেশ মিয়ানমারের নিরীহ ও নির্যাতিত মুসলমানদেরকে জীবন বাঁচাতে সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করতে দিলেন না ।

আপনি একজন ক্ষমতাধর প্রধানমন্ত্রী, আপনার ক্ষমতার ধার আমরা জানি, দয়া করে আরেকটা ক্ষমতা দেখান, বার্মার এই নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ান । বার্মার সরকারের সাথে আলোচনা করুন, বার্মার সাম্প্রদায়িক সরকারকে হুঁশিয়ারি দিন lবিশ্বদরবারে বার্মা কতৃক এই ঘৃণ্য গণহত্যার বিচার দাবী করুন l মুসলিম বিশ্বকে সজাগ করুন l বার্মার সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত খুলে দিন কিছু সময়ের জন্যে যাতে করে নির্যাতিত রোহিঙ্গারা তাদের জীবন টা বাঁচাতে পারে । মুসলিম বিশ্বের একজন ক্ষমতাধর নেত্রী ও নিজে মুসলিম হিসেবে আপনি এই কাজটি করতেই পারেন।

একজন সাধারন মুসলিম হিসেবে একজন ক্ষমতাধর মুসলিম নেত্রীর কাছে আমার আকুল আবেদন অন্তত এবারের মতো নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ান ।